- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৯, ২০২৫
অভিবাসীদের ওপর থেকে মামলা প্রত্যাহারে পক্ষপাতিত্ব, সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আসুর
অবৈধ অভিবাসীদের একাংশের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব সম্পর্কিত সব মামলা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে অসম সরকার। সরকারের এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করে শুক্রবার রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভ দেখাল অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন।
রাজধানী গুয়াহাটিতে অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের কামরূপ মহানগর জেলা ইউনিটের সদস্যরা স্বাহিদ ন্যাসের সামনে জড়ো হন। সেখানা তাঁরা সরকারি নির্দেশিকার কপি পুড়িয়ে দেন এবং সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনের সভাপতি উৎপল শর্মা বলেন, ‘আসাম সরকার সকল জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীদের ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব সম্পর্কিত মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ জারি করেছে। এই নির্দেশ অগ্রহণযোগ্য।’
সরকারের এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করে উৎপল শর্মা আরও বলেন, ‘অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছে। প্রতিবাদ হিসেবে আমরা আজ সব জেলা সদর দফতরে সরকারের নির্দেশিকার কপি পুড়িয়েছি। আমরা CAA–এর বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি এবং সরকারের কাছে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি, যা কার্যকরভাবে বিদেশী ট্রাইব্যুনালে অবৈধ বিশেষ ধর্মাবিলম্বী বাংলাদেশিদের সুরক্ষা দেয়।’
উৎপল শর্মা আসাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ধারাবাহিক দাবির কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৪শে মার্চের আগে যারা আসামে প্রবেশ করেছিলেন, ধর্ম নির্বিশেষে কেবলমাত্র তারাই ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য। এরপর যারাই এসেছেন, হিন্দু বা মুসলিম, তাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করতে হবে। এটাই আমাদের সবসময়ের দাবি।’ উৎপল শর্মা ঘোষণা করেন যে, সরকার নির্দেশিকা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এবং আসাম চুক্তির সাংবিধানিক ও ঐতিহাসিক পবিত্রতা বজায় না রাখা পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, তাঁর সরকার নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) অনুসারে ২০১৫ সালের আগে রাজ্যে প্রবেশকারী ৬টি সম্প্রদায়, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং পার্সিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে বিদেশী ট্রাইব্যুনালের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস রাজ্যে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্বদানকারী আসু–র ওপর কোনও প্রভাব ফেলেনি।
❤ Support Us








