Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ৬, ২০২৬

২৫ বৈশাখ বাংলার নতুন মন্ত্রীসভার শপথ। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে, বুধেই কলকাতায় আসছেন শাহ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
২৫ বৈশাখ বাংলার নতুন মন্ত্রীসভার শপথ। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে, বুধেই কলকাতায় আসছেন শাহ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নতুন সরকার গঠন ঘিরে মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবেন তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। দলীয় ও অসমর্থিত সূত্রের খবর অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও জয়ী হওয়ায় তাঁর অবস্থান আরও মজবুত হয়েছে। বিজেপির রাজ্য রাজনীতিতে তিনি অন্যতম জনপ্রিয় মুখ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেরও আস্থাভাজন। তাছাড়া তিনি নিজেই ভবানীপুরে জয়ের পর বলেছেন, “অমিত শাহ তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী হতে বলেছিলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন অমিত শাহ তাই নিজে উপস্থিত ছিলেন।”

এই পরিস্থিতিতে বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে, কারণ পরিষদীয় নেতাই বসবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে। সেই নেতা বাছাইয়ের দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে, যিনি আজ বুধবার  কলকাতায় এসে নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে। তাঁকে এই প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষক করা হয়েছে—যা অন্য রাজ্যে সচরাচর দেখা যায় না। সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।

মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে শুভেন্দুই সবচেয়ে এগিয়ে থাকলেও  তবুও অন্য কয়েকটি নাম নিয়েও প্রবল আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছেন রাসবিহারী বিধানসভা থেকে নির্বাচিত স্বপন দাশগুপ্ত, প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্য। তবে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’বার পরাজিত করার নজিরই সৃষ্টি করে মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে শুভেন্দুই এগিয়ে রয়েছেন।

এছাড়া শোনা যাচ্ছে, নতুন সরকারের কাজ পরিচালনায় একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হতে পারে, যা নীতি নির্ধারণে মুখ্যমন্ত্রীকে সহায়তা করবে।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়েও জোর জল্পনা চলছে । বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন , “৯ মে সকাল ১০টায় ব্রিগেডে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ । ২৫ বৈশাখ—কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই দিনটি বেছে নেওয়ার মাধ্যমে ‘বাংলা-বিরোধী’ তকমা কাটানোর চেষ্টা করতে পারে বিজেপি।

অনুষ্ঠানের স্থান নিয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। রাজভবন ছাড়াও ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, শহিদ মিনার ময়দান বা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মতো বড় জায়গার কথা ভাবা হচ্ছে, কারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোর বিষয় বিবেচনা করেই শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!