- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫
সম্পর্কের টানাপোড়েনে কমে গেল বরাদ্দ ? গতবছরের তুলনায় কমছে বাংলাদেশি ইলিশের আমদানি
দুর্গাপূজোর সময় ভারতে বাংলাদেশের ইলিশের চাহিদা তীব্র। প্রতিবছরই পুজোর আগে ভারতে প্রচুর ইলিশ রপ্তানি করে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু এবছর ছবিটা ভিন্ন। গতবছরের তুলনায় এবছর অর্ধেক ইলিশ ভারতে রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের জন্যই কী এই সিদ্ধান্ত? বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।
২০২০ সালে বাংলাদেশের কাছে ৩ হাজার টন ইলিশ চেয়েছিল ভারত সরকার। প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করার পর শে্য পর্যন্ত ২৪২০ টন ইলিশ রপ্তানি করার অনুমোদন দেয় বংলাদেশ সরকার। এবার গত বছরের অর্ধেক ইলিশ ভারতে রপ্তানি করার অনুমোদন দিয়েছে। ১২০০ টন ইলিশ ভারতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। যদিও এই পরিমাণ গত বছরের অনুমোদিত পরিমাণের অর্ধেক।
সোমবার বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটা আদেশ জারি করে প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ১২.৫০ মার্কিন ডলার, ভারতীয় মূল্যে ১,৫২০.৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। রপ্তানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স, কর নথি এবং মৎস্য বিভাগ থেকে ছাড়পত্রসহ নতুন আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকায় এবছরের সরবরাহ ১২০০ টনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, রপ্তানিকারকরা পারমিট স্থানান্তর করতে পারবেন না, অনুমোদিত কোটা অতিক্রম করতে পারবেন না, অথবা চালান সাবকন্ট্রাক্ট করতে পারবেন না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে কোনও পর্যায়ে চালান বন্ধ করতে পারে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের বাঁণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই ঘোষণার পর ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক্স–এ পোস্ট করেছেন, ‘আসছে ইলিশ ! বাংলাদেশ সরকার স্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে উৎসবের মরশুমের আগে ভারতে এই অমূল্য মাছ রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পটভূমিতে ইলিশের কোটা কি তাহলে কমে গেল? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
❤ Support Us







