- বৈষয়িক
- আগস্ট ২১, ২০২৫
জীবন ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি পত্যাহারের প্রস্তাব মন্ত্রিগোষ্ঠির
জিএসটি মন্ত্রীদের গোষ্ঠী স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা নীতির প্রিমিয়ামের উপর থেকে সম্পূর্ণভাবে জিএসটি মকুব করার প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও এটি প্রথমে ভারতীয়দের জন্য বীমা সংক্রান্ত পণ্যকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে হতে পারে, তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে কাউন্সিলের হাতে।
তবে, এই সিদ্ধান্তটি বিমা গ্রাহকদের জন্য খুব একটা সুখবর নাও হতে পারে, কারণ এর ফলে প্রিমিয়াম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি-র হার শূন্যে নামানোর ফলে বাস্তবে বীমাকে সাশ্রয়ী করার উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দিতে পারে বলে বিমা অভিজ্ঞরা করছেন।
বর্তমানে স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা পলিসির প্রিমিয়ামের উপর ১৮% হারে জিএসটি ধার্য হয়। অর্থাৎ, আপনি যদি একটি জীবন বিমা পলিসি কেনেন যার প্রিমিয়াম ₹১০০, তাহলে তার উপর ১৮ জিএসটি যোগ হয়ে মোট ১১৮ দিতে হয়।
এই ১৮% জিএসটি -র একটি বড় সুবিধা হল ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট। জিএসটি আইনের অধীনে, বিমা সংস্থাগুলি অন্যান্য পণ্য ও পরিষেবার উপর যে জিএসটি পরিশোধ করে, তা তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত জিএসটি-র বিরুদ্ধে সমন্বয় করে তাদের মোট করের দায় কমাতে পারে।
যদি জিএসটি ছাড় দেওয়া হয় তাহলে কী হবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রাহকদের কাছ থেকে জিএসটি না নিলে, বিমা সংস্থাগুলিও ইনপুট ক্রেডিট ট্যাক্সের সুবিধা হারাবে, যদি না সরকার অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে, তাদের মোট খরচ বেড়ে যাবে এবং সেই অতিরিক্ত খরচ তারা প্রিমিয়াম বাড়িয়ে গ্রাহকদের উপর চাপিয়ে দিতে বাধ্য হবে।
তবে যদি ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট না পাওয়া যায়, তাহলে বিমা কোম্পানিগুলির জন্য তাদের ক্রয়কৃত পণ্য ও পরিষেবার উপর পরিশোধিত জিএসটি একপ্রকার খরচে পরিণত হবে, যার ফলে বিমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকবে যাতে তাদের লাভজনকতা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। আখেরে ক্ষতি হবে বিমা গ্রাহকদের।
❤ Support Us








