- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ২৫, ২০২৩
শিক্ষক বদলি দুর্নীতি মামলায় রাতেই মানিককে প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা
৯টা ২০ মিনিট নাগাদ সিবিআই আধিকারিকরা মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করতে ঢোকেন। জেল সুপারের ঘরের পাশে ইন্টারোগেশন রুমে জেরা শুরু হয়েছে। মানিক ভট্টাচার্যকে সেল থেকে কারারক্ষীরা বের করে এনেছে। পুরো জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও রেকর্ডিং হচ্ছে।
২০২০ সালের স্কুলে বদলি নিয়ে আর্থিক তছরুপ হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের এই জেরার অর্ডারের কপি নিয়ে প্রেসিডেন্সি জেলে মঙ্গকবার রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ ৩ সিবিআই আধিকারিক ও একজন সাইবার বিশেষজ্ঞ জেলে পৌঁছন। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, মানিক ভট্টাচার্যকে কোনও ভাবে সময় দেওয়া যাবে না। আজ প্রথম দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। দ্বিতীয় দফায় ইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বুধবার সকাল ৯টার মধ্যে জেরা করতে করতে হবে। প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে পারবে সিবিআই, ইডি।
মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অসহযোগিতা করেছেন বলে আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়।
৪০০ জনকে ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বদলি করার কাজ যদি করেন মানিক ভট্টাচার্য তাহলেও সেটা ৪ কোটি টাকার দুর্নীতি, এমনই মন্তব্য করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,মানিকের ও তাঁর পরিবারের কারও সম্পত্তির সঙ্গে আয়ের সঙ্গতি নেই। কাজেই এই আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করবে ইডি, এমনটাই নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
চারটি জেলায় ২০২০ সালে এই শিক্ষ-শিক্ষিকা বদলির দুর্নীতি হয়েছে। এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রথমে বলা হয়, তাঁদের জেলায় বা কাছাকাছি নিয়োগের জায়গা নেই। অথচ তার ১৫ থেকে ১৭ দিন পরে বলা হয় কাছাকাছি জেলায় শূন্যস্থান আছে। তার পরই শুরু হয় পরিকল্পিত দুর্নীতি।
বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইডি, সিবিআই নিজেদের হেফাজতে মানিককে নিতে জেরা করতে পারবে, মানিকের ওপর কোনও রক্ষা কবচ নেই।
❤ Support Us





