Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ১১, ২০২৪

বিভ্রান্তি ছড়াতেই নেট পরীক্ষার প্র‌শ্ন ফাঁসের মিথ্যা প্রচার হয়েছে, দাবি সিবিআইয়ের। মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা সংক্রান্ত মামলার শুনানি পিছল এক সপ্তাহ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিভ্রান্তি ছড়াতেই নেট পরীক্ষার প্র‌শ্ন ফাঁসের মিথ্যা প্রচার হয়েছে, দাবি সিবিআইয়ের। মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা সংক্রান্ত মামলার শুনানি পিছল এক সপ্তাহ

ইউজিসি নেট পরীক্ষার দুর্নীতিতে নিযুক্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, একজন তরুণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে প্রশ্নপত্রের একটি সম্পাদিত স্ক্রিনশট প্রচার করেছে , যার ফলস্বরূপ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ওই তরুণ একজন স্কুল ছাত্র বলে জানিয়েছে তারা।

সিবিআই সূত্রে জানা গেছে, তারা খুব শীঘ্রই ওই তরুণের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করতে চলেছে। তাদের দাবি এর মধ্যে বড়ো ধরণের কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র লুকিয়ে নেই। বড়োজোর এই অপরাধকে কোনও প্রতারণার মামলায় বিবেচিত করা যেতে পারে। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, ইতিমধ্যে এ তথ্য তারা সরকারকে জানিয়েছে।

প্রতি বছর গবেষক ও অধ্যাপক, পিএইচডিতে ভর্তির প্রবেশিকা রূপে ইউজিসির তরফে নেট পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ বছর প্রায় ১১ লক্ষ পরীক্ষার্থী নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। তবে ওই অভিযুক্ত ছাত্র কেন এমন কাজ করল, সে প্রশ্নের উত্তরে সিবিআই আধিকারিকেরা জানিয়েছেন , কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য ওই ছাত্র এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিল।

আগামী ইউজিসি নেটের নতুন দিন ঘোষণা করা হয়েছে। ২১ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইউজিসি ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি পরীক্ষা নতুন করে নিতে চলেছে।

অন্যদিকে নিট দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্ত পিছিয়ে গেল আরও এক সপ্তাহ। আগামী ১৮ জুলাই শুনানি হওয়ার পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় আগামী সোমবার শুনানির তারিখ ধার্য করতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা তা পিছিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার করার অনুরোধ জানান।

নিট দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই বৃহস্পতিবার তাদের রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে পেশ করেছে। তাদের দাবি প্রশ্ন ফাঁসের যে দাবি করা হচ্ছে তা নেহাতই স্থানীয় স্তরে। ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার কোনও প্রশ্ন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েনি বলে দাবি করেছে তারা।

নিট দুর্নীতি নিয়ে সারা দেশ উত্তাল হয়েছিল। রাজনীতি আলোড়িত হয়েছে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা। বুধবার গভীর রাতে এন টি এ সুপ্রিম কোর্টে নিতে প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত একটি হলফনামা পেশ করে। তাদের দাবি, প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ সত্যি নয়। পাটনায় যে অভিযুক্তদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল তারা কেউই এমন কিছু ভালো নম্বর পায়নি। জাতীয় পরীক্ষা গ্রাহক সংস্থার দাবি , এতে পরীক্ষার ভাবমূর্তি নষ্ট হয়নি। তারা বলেছে, আইআইটি মাদ্রাজকে দিয়ে তারা নিটের ফলের পর্যালোচনা করিয়েছে। তাতে কোনও বেনিয়ম ধরা পড়েনি। এমনকি পাটনায় নিটের প্রশ্নপত্র যে ট্রাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তার কোনটারই তালা ভাঙা ছিলনা।

এনটিএর দাবি, রাজস্থানে সাওয়াই মাধোপুরের একটি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিলি করা হয়। পরে তা শুধরেও নেওয়া হয়। তবে অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েই বেরিয়ে যান। তাদের একাংশও সমাজমাধ্যমে এই প্রশ্ন ফাঁসের দুর্নীতিতে জড়িত থাকতে পারেন বলে মনে করছে এন টি এ।

জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কাউন্সেলিং শুরু কোর্টে চলেছে বলে ওই হলফনামায় জানিয়েছে এন টি এ। তাদের দাবি, চারটি পর্যায়ে ওই কাউন্সেলিং হবে। যদি কোনও প্রার্থী অসদুপায় অবলম্বন করেন, তবে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিল করবে বলে ওই হলফনামায় জানিয়েছে এন টি এ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!