Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ২১, ২০২৫

সময়সীমা পেড়িয়েও ফাটলো বাজি । তবুও বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ এবার কম কলকাতায়, দাবি সিপি মনোজ বর্মার । দিল্লি নিয়ে উষ্মা পরিবেশবিদদের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সময়সীমা পেড়িয়েও ফাটলো বাজি । তবুও বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ এবার কম কলকাতায়, দাবি সিপি মনোজ বর্মার । দিল্লি নিয়ে উষ্মা পরিবেশবিদদের

দীপাবলিতে এবারও শহরের নানা প্রান্তে শব্দবাজির দাপট দেখা গিয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজি ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে বহু জায়গায়। তবুও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মার দাবি, গত বছরের তুলনায় এ বছর শহরের পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। ভারতের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় কলকাতায় দূষণের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

মঙ্গলবার সকালে সিপি মনোজ বলেন, “শব্দ ৯০ ডেসিবলের মধ্যে থাকলে তা গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যেই পড়ে, কারণ সীমা নির্ধারিত ১২৫ ডেসিবল। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমরা বায়ুদূষণের দিকেও নজর রেখেছিলাম। তখনও পর্যন্ত সারা দেশের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় কলকাতায় দূষণ অনেক কম ছিল। রাত ১০টা বা ১২টার পরের রিপোর্ট এলে আরও স্পষ্ট হবে চিত্র।”

মনোজ বর্মার বক্তব্য অনুযায়ী, শব্দদূষণ হোক বা বায়ুদূষণ, দুটিতেই এ বছর উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেছে গত বছরের তুলনায়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় টহল ও পর্যবেক্ষণের পর পুলিশের দাবি, দূষণ নিয়ন্ত্রণে এবার দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে কলকাতা।

দীপাবলির পরদিন সকালে রাজধানীর আবারও ঘুম ভাঙলো ঘন ধোঁয়া এবং বিষাক্ত কণার চাদরে মোড়া আকাশ নিয়ে। রাতভর আতসবাজি ফাটানোর পর, সকালবেলা শহরের বায়ু গুণমান সূচক (AQI) ৩৫০-এ পৌঁছয়। এবছর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজধানীতে ‘সবুজ আতসবাজি’ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এই সবুজ বাজিগুলি তুলনামূলকভাবে কম দূষণ ছড়ায় বলে দাবি করা হয় – প্রায় ৩০ শতাংশ কম। কিন্তু বাস্তবে কি এই উদ্যোগ কাজ করলো?

সবুজ বাজি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে আদালত শিল্প ও জনস্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে, বাতাসের গুণমানের উন্নতি হয়নি। পরিবেশকর্মী ভাভরিন কাঁধারির মতে, “৩০ শতাংশ কম দূষণ মানে কি? কম বিষ খাওয়ানো? আমি আমার সন্তানদের জন্মের আগেই বিশুদ্ধ বাতাসের জন্য লড়ছি, কিন্তু এখনও ওদের ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসই দিতে পেরেছি।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!