Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫

উপ-রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নিলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
উপ-রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নিলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন

চন্দ্রপুরম পন্নুসামি রাধাকৃষ্ণন শুক্রবার দেশের ১৫তম উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন। রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, সদ্য-প্রাক্তন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এবং সাংসদরা।

গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ প্রার্থী রাধাকৃষ্ণন ৪৫২টি ভোটে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রার্থী প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি বি. সুদর্শন রেড্ডি পেয়েছেন ৩০০টি ভোট। মোট ৭৮১ সাংসদের মধ্যে ৭৬৭ জন ভোট দেন। এর মধ্যে ৭৫২টি ভোট বৈধ বলে গণ্য হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল ৩৭৭ ভোট। রাধাকৃষ্ণনের জয় যে একপ্রকার সুনিশ্চিত, তা আগেই অনুমান করা গিয়েছিল। এনডিএ-র ৪২৭ সাংসদের সমর্থনের পাশাপাশি, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ১১ জন সদস্যও তাঁকে ভোট দেন বলে অনুমান। তবে যে ১৪টি অতিরিক্ত ভোট তিনি পেয়েছেন, তা ঘিরে ‘ক্রস-ভোটিং’-এর সম্ভাবনা ঘিরে বিরোধী শিবিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নতুন উপ-রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘এক্স’ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘সিপি রাধাকৃষ্ণনজিকে ২০২৫ সালের উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা। তাঁর জীবন বরাবর সমাজসেবা ও প্রান্তিক মানুষদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে যুক্ত। আমি নিশ্চিত, তিনি আমাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধকে মজবুত করবেন এবং সংসদীয় পরিসরে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবেন।’

প্রসঙ্গত, ২১ জুলাই জগদীপ ধনখড় অকালেই পদত্যাগ করেন উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২ বছরের মাথায়, তাঁর পদত্যাগের কারণ হিসাবে তিনি দাবি করেছিলেন ‘স্বাস্থ্যগত কারণ’-এ এই সিদ্ধান্ত। সরকারি বিবৃতিতেও তাঁর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কথা বলা হলেও, বিরোধীদের দাবি, সরকারের সঙ্গে তাঁর ক্রমশ দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বেশ কিছু বিষয়ে, বিশেষত বিচারপতি যশবন্ত বর্মার অপসারণ সংক্রান্ত ইস্যুতে। এর ফলেই বিজেপির চাপে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এদিকে, শপথ গ্রহণের আগেই মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন রাধাকৃষ্ণন। এক সময় আরএসএস ঘনিষ্ঠ এই নেতা রাজনীতিতে বরাবরই এক শান্ত, পরিমিত স্বর রেখে চলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটাই তাঁকে দুই শিবিরের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি রাজ্যসভার ‘এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান’ পদও সামলাবেন। দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসে রাধাকৃষ্ণন জানিয়েছেন, ‘আমি সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষা করব এবং দেশের ঐক্য ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাব।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!