Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • নভেম্বর ২, ২০২৬

‘অর্ণবে’র পর ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’! অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে সতর্কতা জারি, বাংলায় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‘অর্ণবে’র পর ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’! অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে সতর্কতা জারি, বাংলায় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর ধাক্কা এখনো সামলে ওঠেনি অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ঘণ্টায় প্রায় ২৫ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম অভিমুখে এগোচ্ছে সেটি। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূলবর্তী অঞ্চলে, ওঙ্গোলের কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে তার। সে সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতিমধ্যেই উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। অন্যদিকে, ঝড়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ুর বিস্তীর্ণ অঞ্চল। জলমগ্ন চেন্নাইয়ের একাধিক এলাকা। বাতিল হয়েছে বিমানবন্দরের অন্তত ১১টি উড়ান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার চেন্নাই ও তিরুভল্লুরের সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

 ‘অর্ণব’-এর দাপটে অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সে বিপর্যয় পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের ঘূর্ণিঝড়ের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্যটি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, রবিবার গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছিল ‘মুরাসু’। সোমবার ভোরে আরও শক্তি সঞ্চয় করে সেটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে ঝড়ের শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি ও তার তীব্রতা। আবহাওয়া দফতরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ পশ্চিম-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড়টি। সে সময় চেন্নাই থেকে তার দূরত্ব ছিল প্রায় ২০০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর থেকে ২১০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে, মছলিপত্তনম থেকে ২৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং কাভালি থেকে ২২০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল সেটি। এ ছাড়া ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ছিল ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান। ঘণ্টায় প্রায় ২৫ কিলোমিটার  গতিতে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে চলেছে মুরাসু। ফলে উপকূলের সঙ্গে তার দূরত্ব ক্রমশ কমছে।

‘আইএমডি’-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও ঘনীভূত হবে ঘূর্ণিঝড়টি। সোমবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৪টের মধ্যে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী এলাকায়, ওঙ্গোলের কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে সেটি। স্থলভাগে প্রবেশের সময় ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছনোর আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে মঙ্গলবার ভোর হয়ে যেতে পারে।  আবহাওয়া দফতরের পূর্ববর্তী বুলেটিনেও ঝড়ের শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছিল। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি নেল্লোর থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে এবং চেন্নাই থেকে ১৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল। তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২২ কিলোমিটার। পরবর্তী সময়ে গতিবেগ বেড়ে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি দ্রুত উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। সংস্থার তরফে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোরে চেন্নাই থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, নেল্লোর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার, মছলিপত্তনম থেকে ৩৮০ কিলোমিটার, কাভালি থেকে ৩৭০ কিলোমিটার এবং ওঙ্গোল থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে ছিল সেটি।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব স্থলভাগে প্রবেশের আগেই অনুভূত হতে শুরু করেছে তামিলনাড়ুতে। রবিবার রাত থেকে প্রবল বৃষ্টিতে চেন্নাই, চেঙ্গলপট্টু ও তিরুভল্লুরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কোথাও রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে, কোথাও নিচু এলাকাগুলিতে জল ঢুকে পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। গত ২৪ ঘণ্টায় চেন্নাইয়ের মাধবরমে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এনোর বন্দর এবং নুঙ্গামবাক্কমে বৃষ্টির পরিমাণ ১০ সেন্টিমিটার করে। চেন্নাইয়ের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সোমবার জেলার সমস্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিরুভল্লুর জেলা প্রশাসনও। শুধু বৃষ্টিই নয়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠায় উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চেন্নাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অন্তত ১১টি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীদের বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে উড়ানের সময়সূচি ও সর্বশেষ পরিস্থিতি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তেলঙ্গানার একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার রাজ্যের ছ-টি জেলায় কমলা সতর্কতা এবং পাঁচটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। ফলে দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, ‘মুরাসু’কে ঘিরে সবচেয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে।  এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা জুড়ে এক লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর। ঝড়ের জেরে বিদ্যুৎ, পানীয় জল ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিক রাখাই প্রশাসনের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। সে পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মুখে পড়তে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশ। আবহাওয়াবিদদেরআশঙ্কা, স্থলভাগে প্রবেশের সময় প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হলে উপকূলবর্তী নিচু এলাকাগুলিতে জল জমতে পারে। গাছ উপড়ে যাওয়া, বিদ্যুতের খুঁটি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতি এবং সাময়িক ভাবে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তবে, বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ‘মুরাসু’ নামটি দিয়েছে ভারত। তামিল ভাষায় এই শব্দের অর্থ ‘যুদ্ধের ঢাক’। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক তালিকা রয়েছে। সে তালিকায় ভারতের প্রস্তাবিত নাম হিসাবেই রয়েছে ‘মুরাসু’। রবিবার গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর নামটি সামনে আসে। প্রথম দিকে ঝড়টি সাধারণ ঘূর্ণিঝড় হিসাবেই অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছিলেন ‘আইএমডি’-র ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। এমনকি সেটি আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সামান্য সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সোমবার সকালের মধ্যেই শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘মুরাসু’।

অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের জন্য আপাতত বড়ো কোনো বিপদের আশঙ্কা দেখছে না আবহাওয়া দফতর। ‘মুরাসু’র সরাসরি প্রভাব এ রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সপ্তাহের গোড়ায় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। তার পর ধীরে ধীরে আবহাওয়া শুকনো হওয়ার সম্ভাবনা।  আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবারও ওই জেলাগুলির কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে। বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় ন’টি থেকে দশটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া প্রধানত শুকনো থাকার সম্ভাবনা। বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও আগামী কয়েক দিনে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। তার পর রাতের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি বেশি। রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি বেশি। ফলে নভেম্বরের শুরুতেই শীতের আমেজ কতটা অনুভূত হবে, সে দিকেও নজর রাখছেন আবহবিদরা।

তবে, নতুন ঘূর্ণিঝড়ে প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পরিস্থিতি প্রতিকূল হতে পারে। ২ নভেম্বর সকাল থেকে দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের কিছু অংশে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস। সে কারণে ২ থেকে ৪ নভেম্বর পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বাংলার উপকূলবর্তী মৎস্যজীবীদের জন্য আপাতত আলাদা কোনো সতর্কতা জারি করা না হলেও সমুদ্রের পরিস্থিতির উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে এগিয়ে চলা মুরাসুর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের উপর নির্ভর করছে পরবর্তী পরিস্থিতি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!