- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ২৮, ২০২৫
চারতলা ভবন ভেঙে মহারাষ্ট্রে নিহত ১৫, আহত বহু
মহারাষ্ট্রের ভিরারে এক চারতলা ভবনের একাংশ ভেঙে পড়ে ১৫ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১টি শিশু ও একজন মহিলাও রয়েছেন। অনেকেই এখনও ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকা পড়ে রয়েছেন। ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে এখনও জোর কদমে উদ্ধারকার্য চলছে। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ভাসাই ভিরার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আগেই ওই চারতলা ভবনের কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। রাত ১২.০৫ মিনিট নাগাদ ভবনের পেছনের একটা দেওয়াল ধসে পড়ে। জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। প্রথমে স্থানীয় নাগরিক দলগুলির সঙ্গে উদ্ধার কার্যে হাত লাগায়। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে শুরু করে। ভবনটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় উদ্ধারকার্যে প্রাথমিকভাবে বিলম্ব হয়। কয়েকজন ধ্বংসস্তুপের নীচে চাপা পড়ে সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। বাকিরা হাসপাতালে মারা যান।
জেলা কালেক্টর ইন্দু রানী জাখর বলেন, ‘ধসের ফলে বেশ কয়েকটি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের সকলকে চন্দনসার সমাজমন্দিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং খাবার, জল এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও কিছু লোক আটকা পড়ে থাকতে পারে। এখনও ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছে।’
এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হলেন, আরোহি ওমকার জোভিল (২৪), উৎকর্ষ (১), লক্ষ্মণ কিস্কু সিং (২৬), দিনেশ প্রকাশ সাপকাল (৪৩), সুপ্রিয়া নিভালকার (৩৮), অর্ণব নিভালকার (১১), এবং পার্বতী সাপকাল (২৬)। পুলিশ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে কিছু মৃতদেহ বার করা হয়েছে। বাকিরা নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
দুর্ঘটনাস্থলে মোট ৫০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ধসে পড়া অংশে রয়েছে ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট। ভবনটি ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে ৫৪টি ফ্ল্যাট এবং চারটি দোকান নিয়ে নির্মিত হয়েছিল। ২০১২ সালে এর সম্প্রসারণ করা হয়। ভাসাই ভিরার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অভিযোগ দায়ের করার পর ইতিমধ্যেই পুলিশ ভবনটির নির্মাতা নিতল গোপীনাথ সানেকে গ্রেফতার করেছে। জমির মালিকের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্র আঞ্চলিক ও নগর পরিকল্পনা আইনের ৫২, ৫৩ এবং ৫৪ ধারা এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫ ধারা লঙ্ঘন।
❤ Support Us







