- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ৭, ২০২৬
খাদ্য সুরক্ষা আইনে বদলের প্রস্তাব কেন্দ্রের, প্রাপ্য কমার সম্ভাবনায় দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক
দেশের বৃহত্তম খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির অন্যতম ভিত্তি বদলে দেওয়ার প্রস্তাব ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক ও নীতিগত বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ‘জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা (সংশোধনী) বিল, ২০২৬’-এ ‘অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা’র অধীনে খাদ্যশস্য বণ্টনের পদ্ধতিতে বড়ো পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এ সংশোধনে সরকারি গণবণ্টন ব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য, বৈজ্ঞানিক ও প্রয়োজনভিত্তিক করা হবে। কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক দল, একাধিক রাজ্য সরকার, খাদ্যনীতি বিশেষজ্ঞ এবং খাদ্য-অধিকার আন্দোলনের কর্মীদের আশঙ্কা, বাস্তবে এ পরিবর্তনের ফলে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের খাদ্যশস্যের প্রাপ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।
সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগ জনমত গ্রহণের জন্য যে খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করেছে, তাতে ‘জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন, ২০১৩’-এর ধারা ৩-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। খসড়া সম্পর্কে মতামত জানানোর শেষ দিন ১৩ জুলাই। সে সময়সীমা ঘনিয়ে আসতেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। বর্তমানে ‘অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা’র আওতায় থাকা প্রতিটি পরিবার সদস্যসংখ্যা নির্বিশেষে প্রতি মাসে ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য পাওয়ার আইনগত অধিকার ভোগ করে। পরিবারের সদস্য একজন হোক বা পাঁচজন, বরাদ্দ একই থাকে। কেন্দ্রের প্রস্তাব অনুযায়ী, এই পরিবারভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে ব্যক্তি-পিছু প্রতি মাসে ৭ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। তবে একই সঙ্গে প্রতি পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ কিলোগ্রামের সীমা বহাল থাকবে।
কেন্দ্র সরকারের যুক্তি, বর্তমান ব্যবস্থায় প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে বরাদ্দের কোনো সামঞ্জস্য নেই। একজন সদস্যের পরিবার এবং পাঁচ সদস্যের পরিবার সমান পরিমাণ খাদ্যশস্য পাওয়ায় ছোটো পরিবারগুলি তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছে, অথচ বড়ো পরিবারের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। নতুন ব্যবস্থায় সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে বরাদ্দ নির্ধারণ হলে সে বৈষম্য দূর হবে। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ৩৫ কিলোগ্রামের সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয়েছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে একজন সদস্যের পরিবার বর্তমানে যে ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য পায়, তা কমে দাঁড়াবে মাত্র ৭ কিলোগ্রামে। দুই সদস্যের পরিবার পাবে ১৪ কিলোগ্রাম, তিন সদস্যের পরিবার ২১ কিলোগ্রাম এবং চার সদস্যের পরিবার ২৮ কিলোগ্রাম। পাঁচ সদস্যের পরিবার আগের মতোই ৩৫ কিলোগ্রাম পাবে। কিন্তু পাঁচজনের বেশি সদস্য থাকলেও বরাদ্দ আর বাড়বে না। অর্থাৎ ছয়, সাত কিংবা আট সদস্যের পরিবারও সর্বোচ্চ ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্যই পাবে।
খাদ্য মন্ত্রকের বক্তব্য, এ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কোনওভাবেই খাদ্যশস্যের সামগ্রিক পরিমাণ কমানো নয়। বরং অন্ত্যোদয় প্রকল্পের মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া অভ্যন্তরীণ বৈষম্য দূর করা এবং পরিবারের প্রকৃত সদস্যসংখ্যার সঙ্গে খাদ্যশস্যের বরাদ্দকে যুক্ত করাই এই সংশোধনের লক্ষ্য। মন্ত্রকের আরও দাবি, নতুন কাঠামো পুষ্টি-চাহিদার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মানবজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের পুষ্টিগত প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই এই নীতি প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় আশ্বস্ত নন সমালোচকেরা। তাঁদের অভিযোগ, সংশোধনীটিকে ‘সমতার সংস্কার’ বলে তুলে ধরা হলেও বাস্তবে এটি দেশের দরিদ্রতম মানুষের খাদ্য প্রাপ্যতা কমানোর একটি পদক্ষেপ। বিশেষ করে বয়স্ক দম্পতি, একা বসবাসকারী প্রবীণ ব্যক্তি, বিধবা, প্রতিবন্ধী মানুষ, ছোটো পরিবার এবং বিভিন্ন প্রান্তিক গোষ্ঠী বর্তমানে অন্ত্যোদয় প্রকল্পের ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্যের উপর নির্ভরশীল। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তাঁদের খাদ্য নিরাপত্তা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সমালোচকদের আরও যুক্তি, খাদ্য গ্রহণের প্রয়োজন শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যসংখ্যার উপর নির্ভর করে না। রান্নার সময় অপচয়, খাদ্য সংরক্ষণে ক্ষতি, অসুস্থতা বা জরুরি পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত খাদ্যের প্রয়োজন— এ সমস্ত বাস্তব বিষয় ছোট পরিবারগুলির ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। ফলে বরাদ্দে এত বড় কাটছাঁট খাদ্য নিরাপত্তাকে দুর্বল করে দিতে পারে। নীতি বিশ্লেষকদের একাংশ আবার অন্য একটি অসঙ্গতির দিকেও আঙুল তুলছেন। যদি সরকার সত্যিই ব্যক্তি-পিছু খাদ্যশস্য দেওয়ার নীতি কার্যকর করতে চায়, তা হলে পাঁচজনের বেশি সদস্যের পরিবারগুলির ক্ষেত্রেও ব্যক্তি-পিছু বরাদ্দ নিশ্চিত করা উচিত। অথচ পরিবারপিছু ৩৫ কিলোগ্রামের সীমা বহাল রাখায় বড়ো পরিবারগুলিও প্রকৃত অর্থে ব্যক্তি-পিছু ৭ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য পাবে না। ফলে সংশোধনীটি একই সঙ্গে ছোটো এবং বড়ো; উভয় ধরনের পরিবারের ক্ষেত্রেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
ফলে, খসড়া সংশোধনী ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে প্রস্তাব প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারভিত্তিক ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য দেওয়ার বর্তমান ব্যবস্থা বহু বছর ধরে রাজ্যের দরিদ্রতম পরিবারগুলির খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে তামিলনাড়ুর প্রায় ৭০ লক্ষ সুবিধাভোগী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। চিঠিতে বিজয় উল্লেখ করেছেন, তামিলনাড়ুতে বর্তমানে ১৮.৬৪ লক্ষ ‘অন্ত্যোদয়’ রেশন কার্ডের আওতায় ৬৯.২৭ লক্ষ মানুষ খাদ্যশস্য পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিধবা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নিয়মিত আয়বিহীন প্রবীণ নাগরিক, ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক, মূলনিবাসী ও দিনমজুর পরিবার। রাজ্যের গড় পারিবারিক সদস্যসংখ্যা মাত্র ৩.৫৪ হওয়ায় ব্যক্তি-পিছু বরাদ্দ চালু হলে অধিকাংশ পরিবারের খাদ্যশস্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে অন্ত্যোদয় প্রকল্পে তামিলনাড়ু প্রতি মাসে ৬৫,২৬১ মেট্রিক টন চাল, গম ও রাগি পায়। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে সে বরাদ্দ কমে প্রায় ৪২,০৪০ মেট্রিক টনে নেমে আসবে। তাঁর বক্তব্য, বহু পরিবারের দিনে তিন বেলার প্রধান খাদ্য এই রেশন। বাজার থেকে বিকল্প খাদ্য কিনে সে ঘাটতি পূরণ করা অধিকাংশ দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। এর ফলে খাদ্য ব্যয় বাড়বে, অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়বে এবং দারিদ্র্য আরও গভীর হতে পারে।
কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে সিপিআই(এম)-ও। দলের পলিটব্যুরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংশোধনী কার্যকর হলে ছোটো পরিবারগুলির খাদ্যশস্যের বরাদ্দ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে, অথচ পাঁচজনের বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারও কোনো অতিরিক্ত সুবিধা পাবে না। অর্থাৎ ব্যক্তি-পিছু ৭ কিলোগ্রাম দেওয়ার সরকারি দাবি বাস্তবে কার্যকর হবে না। সিপিআই(এম)-এর অভিযোগ, এই সংশোধনের সবচেয়ে কঠিন শিকার হবেন সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষরা। দলের আরও দাবি, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করায় সেখানে পরিবারের গড় আকার ছোটো। ফলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হওয়ার ‘শাস্তি’ হিসেবেই ওই রাজ্যগুলির খাদ্যশস্য বরাদ্দ কমে যাবে। একই সঙ্গে বহুদিন ধরে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নির্ধারিত সুবিধাভোগীর তালিকা সংশোধনের দাবিও পুনরায় তুলেছে সিপিআই(এম)। তাদের বক্তব্য, বর্তমান জনসংখ্যার ভিত্তিতে নতুন যোগ্য পরিবারগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিবর্তে কেন্দ্র বরাদ্দ কমানোর পথে হাঁটছে।
প্রস্তাবিত সংশোধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়া অ্যাগ্রিকালচারাল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’-ও। সংগঠনের সভাপতি এ. বিজয়ারাঘবন, সাধারণ সম্পাদক বি. ভেঙ্কট যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বললেও ৩৫ কিলোগ্রামের সীমা বহাল থাকায় পাঁচজনের বেশি সদস্যের পরিবার কোনওভাবেই ব্যক্তি-পিছু ৭ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য পাবে না। তাঁদের মতে, এ নীতি বাস্তবে দরিদ্র ও বৃহৎ পরিবারগুলির উপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে। সংগঠনটি ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’-এর সুপারিশেরও উল্লেখ করেছে। তাদের বক্তব্য, ‘আইসিএমআর’-এর মতে একজন মানুষের সুস্থ জীবনযাপনের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ১৪ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্যের প্রয়োজন। সে প্রেক্ষিতে বহু চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদ দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যশস্যের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। সেখানে বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে সংগঠনটি।
তবে বহু খাদ্যনীতি বিশেষজ্ঞের মতে, এ বিতর্কের আড়ালে আরও একটি বড়ো সমস্যা চাপা পড়ে যাচ্ছে। ‘জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন’ এখনো ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা নির্ধারণ করে। সে হিসাবে গ্রামীণ এলাকার ৭৫ শতাংশ এবং শহরের ৫০ শতাংশ মানুষ—মোট প্রায় ৮১.৩৫ কোটি নাগরিক—ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যশস্য পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু গত এক দশকে দেশের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নতুন জনগণনার তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় লক্ষ লক্ষ নতুন যোগ্য পরিবার এখনো খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বরাদ্দের সূত্র পরিবর্তনের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি ছিল বর্তমান জনসংখ্যার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীর তালিকা হালনাগাদ করা এবং নতুন যোগ্য পরিবারগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা। তাতে খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তব উপকারিতা অনেক বেশি বাড়ত।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে প্রণীত ‘জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন’ ভারতের খাদ্য ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আইনগত অধিকারে পরিণত করে। ‘টার্গেটেড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম’-এর মাধ্যমে অগ্রাধিকারভুক্ত পরিবার প্রতি ব্যক্তি প্রতি মাসে ৫ কিলোগ্রাম এবং ‘অন্ত্যোদয়’ পরিবার প্রতি মাসে পরিবারপিছু ৩৫ কিলোগ্রাম খাদ্যশস্য পাওয়ার অধিকার লাভ করে। পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলা, স্তন্যদানকারী মা এবং শিশুদের জন্য সমন্বিত শিশু উন্নয়ন পরিষেবা ও বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচির মাধ্যমে অতিরিক্ত পুষ্টি সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রের সম্প্রসারিত খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচির আওতায় যোগ্য সুবিধাভোগীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।
ফলে বর্তমান বিতর্ক কেবল একটি সংশোধনীকে ঘিরে নয়। এটি মূলত কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের চরিত্র নিয়ে বৃহত্তর নীতিগত প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সরকারি ভর্তুকি কি কঠোরভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বণ্টন করা হবে, নাকি দরিদ্রতম মানুষের হাতে পৌঁছে যাওয়া বিদ্যমান সুরক্ষা কোনোভাবেই কমানো যাবে না— এ দ্বন্দ্বই এখন ‘জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন সংশোধনী’কে ঘিরে রাজনৈতিক ও জননীতির কেন্দ্রীয় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত এ সংশোধন ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করবে, নাকি সবচেয়ে দুর্বল মানুষের খাদ্য প্রাপ্যতাই সংকুচিত করবে, সে উত্তর নির্ভর করবে শুধু বরাদ্দের নতুন সূত্রের উপর নয়; বরং নতুন জনগণনার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, তালিকা হালনাগাদ এবং প্রকৃত দরিদ্র পরিবারের অন্তর্ভুক্তির মতো দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলির সমাধানের উপরও।
❤ Support Us







