- দে । শ
- জানুয়ারি ১৯, ২০২২
বাংলাদেশে ফগ অ্যালার্ট।
বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করেছে যে, নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বুধবার পর্যন্ত তীব্র কুয়াশা থাকবে। একারণে দৃষ্টিসীমা ৫০০ মিটার বা তার নীচে কমে যেতে পারে। একে ‘ফগ অ্যালার্ট’ বা কুয়াশার সতর্কবার্তা বলা হয়।আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ‘যখন ঘন কুয়াশার জন্য দৃষ্টিসীমা এক হাজার মিটারের নীচে নেমে আসে, তখন সাধারণত আমরা ফগ অ্যালার্ট জারি করে থাকি।’
এরকম অবস্থায় নদী-তীরবর্তী এলাকাগুলোতে ঝুঁকিপ্রবণ হয়ে ওঠে । এক যানের সঙ্গে আরেক যানের সংঘর্ষ বেড়ে যায় ।নদীমাতূক বাংলাদেশের ব্যাপক এলাকা শীতকালে ঘন কুয়াষা ছড়িযে পড়ে। রাতে এবং সকালে কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে আকাশ। সমতলেও কিছু দেখা যায় না। শীতকালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বহু মানুষের প্রাণ যায় । ফলে ফগ অ্যালার্ট জারি করতে হয় ।
কুয়াশা বেশি থাকলে বিমান চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়। সিভিল এভিয়েশনের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের আলাদা একটি বিভাগ আছে, সেখান থেকে প্রতি আধাঘণ্টা অন্তর কুয়াশার সর্বশেষ তথ্য জানান হয়।শীতের সময় তাপমাত্রা কমতে থাকে এবং মাটির আদ্রতা উপরে উঠে গিয়ে কুয়াশা তৈরি করে। মাটির তুলনায় বাতাসের উষ্ণতা ও আদ্রতা বেশি থাকে, তাই কুয়াশা ভেসে বেড়ায়। কুয়াশা বরফের একটা অংশ। বাংলাদেশে এর চেহারা ছোট থাকে । শীতের দেশ গুলিতে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায় বলে, কুয়াশার চেহারা বড় আকার ধারণ করে মাটিতে পড়তে থাকে। একে স্নো ফল বলা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের গাঙ্গেয় উপত্যকাও অসমের বক্ষ্মপুত্রের তীরবর্তী সমতলে ব্যাপক কুয়াশা তৈরি হয়। দক্ষিণ অসমের বরাক উপত্যকায়ও দৃষ্টিসীমা নিচে নেমে আসে। কুয়াশায় ভিজে ওঠে মাঠ-ঘাট।
❤ Support Us





