- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুলাই ৭, ২০২২
আয়ুষ্মানরা উজ্জীবিত। অসীম শ্রদ্ধায়, সংবর্ধনা শতায়ু টেনিস তারকা সমীর চ্যাটার্জিকে ।
সমীর চ্যাটার্জিকে সংবর্ধনা দিচ্ছেন স্থানীয় পুরপিতা অসীম বসু। ছবি: সংগৃহীত।
শতবর্ষে উজ্জ্বল প্রাক্তন টেনিস তারকা সমীর চ্যাটার্জি। । ভবানীপুরের বাসিন্দা । নিজের কাজ নিজেই করেন। চলাফেরায় অসুবিধা নেই। স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে, ১০০তম জন্মদিনে মঙ্গলবার তাঁকে সংবর্ধনা জানালেন পুরপিতা আর সমাজ সেবক অসীম বসু। সংবর্ধনার উত্তরে সমীর বাবু বলেছেন, জীবনকে তিলে তিলে উপভোগ করছি। আমরা ৫ ভাই, ৪ বোন। আমি আর আমার ছোট ভাই সৌরেন বেঁচে আছি। বোনেরা সবাই চলে গেছে, সৌরনের বয়স ৮৫। পুনেতে থাকে। সপ্তাহে অনন্ত ২ বার সে আমার সঙ্গে কথা বলে।
সমীর বাবুর জন্ম ১৯২২ সালের ৫ জুলাই। লেখাপড়া সাউথ সুবার্বান স্কুলে। স্কুল জীবনেই তাঁর টেবিল টেনিস খেলা শুরু। সংসারের হাল ধরতে চাকরিতে ঢুকতে হল। ইন্দো বর্মা পেট্রোলিয়াম সংস্থায়। চাকরি জীবন ৩৩ বছরের। যৌবনে, মধ্যবয়সেও টেনিস নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় । ১৯৪৮ সালে অল বেঙ্গল চ্যাম্পিয়ান হলেন, ৪০-৫০-এর দশকে দেশের নানা প্রান্তে খেলেছেন। বহু পুরস্কারে ভূষিত। কোচিং করেছেন বাংলাদেশে। খেলতে গেছেন শ্রীলঙ্কায়। অকশন ব্রিজেও কলকাতার সেরার সেরা । ১৯৫৭ অকশন ছেড়ে মেতে উঠলেন কনটাক্ট ব্রিজে। এখানেও অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভবানীপুরের অভয় সরকার লেনের বাসিন্দা। তাঁর টেবিল টেনিস খেলার হাতেখড়ি খেলাবন্ধু কুমার ঘোষের বাড়ির ডাইনিং টেবিলে। সেই যে শুরু, তার বিরাম নেই। খেলার বয়স অতিক্রান্ত । কিন্তু স্মৃতির টেবিল টেনিস তাঁকে ছাড়ে নি। সমীর বাবু অকৃতদার, টেনিসের সঙ্গেই যেন বিয়ে হয়েছিল তাঁর।
বাঙালির আয়ু বাড়ছে। তবু শতায়ু সম্পর্শ করে বেঁচে থাকাদের সংখ্যা কম। সমীরবাবু আয়ুষ্মানদের প্রেরনা হয়ে হাসতে হাসতে জেগে আছেন।
❤ Support Us








