- প্রচ্ছদ রচনা স | হ | জ | পা | ঠ
- আগস্ট ২৩, ২০২৫
মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত, ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনের মডেল উন্মোচন করল ইসরো
২০২৮ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত। সেই লক্ষ্যে অনেকটাই এগিয়ে গেল। শুক্রবার দিল্লিতে জাতীয় মহাকাশ দিবস উদযাপনে অন্তরীক্ষ স্টেশনের মডেল উন্মোচন করল ভারতীয় গবেষণা সংস্থা ইসরো।
বর্তমানে দুটি কক্ষপথ গবেষণাগার রয়েছে। একটা, পাঁচটি মহাকাশ সংস্থা দ্বারা পরিচালিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এবং চীনের তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশন। মহাকাশ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩৫ সালের মধ্যে অন্তরীক্ষ স্টেশনের পাঁচটি মডিউল স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে ভারত। ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন–০১ মডিউলটির ওজন ১০ টন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এটা পৃথিবী থেকে ৪৫০ কিলোমিটার ওপরে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।
ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে, দেশীয়ভাবে তৈরি পরিবেশগত নিয়ন্ত্রণ ও লাইফ সাপোর্ট ব্যবস্থা, ডকিং সিস্টেম, বার্থিং মেকানিজম, স্বয়ংক্রিয় হ্যাচ সিস্টেম, মাইক্রোগ্রাভিটি গবেষণা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য প্ল্যাটফর্ম, বৈজ্ঞানিক চিত্র এবং ক্রু বিনোদনের জন্য ভিউপোর্ট। এছাড়া এতে তরল, বিকিরণ, তাপীয় এবং মাইক্রো মেটিওরয়েড অরবিটাল ডেব্রিস সুরক্ষা, স্পেস স্যুট, মহাকাশচারীর অতিরিক্ত কার্যকলাপে সহায়তা করার জন্য এয়ারলক এবং প্লাগ অ্যান্ড প্লে ইন্টিগ্রেটেড এভিওনিক্সের রিফিলিংয়ের ব্যবস্থাও থাকবে।
ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন, মহাকাশ, জীবন বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং আন্তঃগ্রহ অনুসন্ধানের বিভিন্ন দিক গবেষণার জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটা মানব স্বাস্থ্যের ওপর মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব গবেষণা করার এবং মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদী মানুষের উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পরীক্ষা করার সুযোগ প্রদান করবে। এই মহাকাশ স্টেশনটি মহাকাশ পর্যটনকে সাহায্য করেব এবং অরবিটাল ল্যাবের সম্পদ ব্যবহার করে ভারত বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতে প্রবেশ করবে। এছাড়া, বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।
❤ Support Us








