- দে । শ
- মে ১০, ২০২৩
বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, প্রাক্তন আইপিএসের আবেদনে সাড়া দিল না শীর্ষ আদালত
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে গ্রাহ্য হল না পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের আবেদন। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া আইপিএস সঞ্জীব সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির এম আর শাহের এজলাসে তাঁর আবেদনের শুনানি যেন না হয়। এক্ষেত্রে বিচারপতি এম আর শাহকে এই আবেদনের শুনানির ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানান বরখাস্ত হওয়া প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাট।
১৯৯০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগার পরে গুজরাটের জামনগর থেকে ১৩৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ছিলেন পুলিশ হেফাজতে মৃত প্রভুদাস বৈষ্ণাণী নামে জামনগরের এক বাসিন্দা। পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় ৩০ বছর বয়স্ক প্রভুদাসের। ১৯৯০ সালে পুলিশি হেফাজতে প্রভুদাসের মৃত্যুর পরে, মৃতের ভাই আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। সেসময়ে সঞ্জীব ভাট জামনগর পুলিশের অতিরিক্ত সুপার হিসেবে কাজ করছিলেন। কেবলমাত্র সঞ্জীব ভাটই নন, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন প্রভুদাসের ওপর নির্যাতন চালানোর দায়ে এই এফআইআরে নাম ছিল আরও ৬জন পুলিশকর্মীর।
আদালত সূত্রের খবর, ২০১৯ সালে এই মামলায় আইপিএস অফিসার দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। এর আগে গুজরাট হাইকোর্ট জানায়, সঞ্জীব ভাট নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করছেন। ২০২২ সালে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশে সাসপেনসনের জন্যে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সঞ্জীব ভাট। তবে সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন তার আইনজীবী।
নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারপতি এম আর শাহকে তার আবেদনের শুনানিতে অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করার যে দাবি সম্প্রতি সঞ্জীব ভাট করেছেন, ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন গুজরাট সরকারের আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম আর শাহ এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমারের বেঞ্চ বিচারপতি এম আর শাহকে মামলার শুনানিতে অযোগ্য ঘোষণা করার ব্যাপারে সঞ্জীব ভাটের আবেদন গ্রহণই করেননি।
❤ Support Us





