- দে । শ
- আগস্ট ১২, ২০২৬
প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ে ভয়াবহ ধস, মৃত ৫। ধ্বংসস্তূপের নীচে একাধিক, চলছে জোরকদমে উদ্ধারকাজ
প্রবল বৃষ্টির জেরে বুধবার ভোররাতে ভয়াবহ ধস নামল মুম্বইয়ের ঘাটকোপার এলাকার চিরাগনগরে। গৌসিয়া চউল এলাকায় টিলার একাংশ ধসে পড়ে বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও তিন থেকে চার জন, কিংবা তারও বেশি মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।
বৃহনমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর ৩টে ৪৮ মিনিট নাগাদ গৌসিয়া চউল এলাকায় ধস নামে। টানা প্রবল বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যায়। এর জেরেই একটি টিলার বড় অংশ ভেঙে নীচে থাকা বসতবাড়িগুলির উপর গিয়ে পড়ে। সেই সময় অধিকাংশ বাসিন্দাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন।
ধসের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুরসভার কর্মীরা। দ্রুত সেখানে পৌঁছয় মুম্বই দমকল, মুম্বই পুলিশ এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF)-র দল। শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
মুম্বই পুলিশের ডিসিপি গণেশ শিন্ডে জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এই মুহূর্তে মৃত ও আহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, অন্তত তিন থেকে চার জন এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, ধসের ঘটনায় আহত দু’জনকেও উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের নাম সোহেল আনসারি (১৮) এবং মহম্মদ আনসারি (১৪)। সোহেলের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। মহম্মদের পিঠেও চোট রয়েছে।
প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দমকল, এনডিআরএফ, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা। ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
❤ Support Us






