- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ৭, ২০২৩
মুর্শিদাবাদ সফরে রাজ্যপাল। তার আগেই রানীনগরে নিহত কংগ্রেস কর্মী, অভিযোগ তৃণমূলের দিকে
মুর্শিদাবাদের রানীনগরে বৃহস্পতিবার ফের এক কংগ্রেস কর্মী খুন মৃতের নাম অরবিন্দ মণ্ডল। তিনি রায়পুর গ্রামে খুন হন। তাঁকে তৃণমূল দুস্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে বেধরক পেটায়, পরিবারের লোকেরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে জানায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই খুনের অভিযোগ উঠেছে তবে স্বাভাবিক কারণেই তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ভোটের আর যখন ২০ ঘণ্টা বাকি, তখন বাড়ি ঢুকে তৃণমূল দুস্কৃতীরা অসুস্থ অরবিন্দ মণ্ডলকে পিটিয়ে মারে। ইসলামপুর হাসপাতালে আহত অরবিন্দ মণ্ডলকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসেছে।
এদিকে মুর্শিদাবাদে গতকাল রাত থেকে বোমা বিস্ফোরণ, শাসকদলের হুমকি, বিরোধীদের পিটিয়ে মারার ঘটনা ঘটছে। রানীনগর, ডোমকল, খড়গ্রাম সহ বিস্তীর্ন এলাকা জুড়ে সন্ত্রাস চলছে। মুর্শিদাবাদকে কমিশন স্পর্শকাতর ঘোষণা করেই দায় সেরেছে কমিশন। অথচ কমিশনের হাতে এখন পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব। তাই প্রশ্ন উঠছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, নবান্ন ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে ৮ জুলাই ভোটের দিন কী অপেক্ষা করছে বাংলার ভাগ্যে সেটা আশঙ্কায় প্রহর গুনছে রাজ্যবাসী।
এই আবহেই শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মুর্শিদাবাদ পৌঁছেছেন। আর রাজ্যপাল নবাবের জেলায় থাকার দিনই আবার এই জেলায় কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনা ঘটল। এই নিয়ে গত ৩০ দিনে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুন হলেন ১৮ জন৷
নির্বাচন ঘোষণার দিন থেকেই মুর্শিদাবাদ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পঞ্চায়েত ভোটের প্রথম বলি হন মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। তার পর থেকে মুর্শিদাবাদ সহ একের পর এক জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি, বোমাবাজি, খুন চলছেই। আর এই অবস্থায় এখনও মৌনব্রত পালন করে চলেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে শান্তিতে ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা দেখাননি রাজীব সিনহা। তিনি এই হিংসার পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্য পুলিশে ভরসা রাখতে বলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রাজ্যে আসা আটকাতে প্রথমে কলকাতা হাই কোর্ট পরে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে অপদস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত কৌশল করে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমন সময় চেয়েছেন যখন ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর পর রাজ্যপাল যখন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে বলছেন, “আপনাকে আমি নিয়োগ করেছি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে। আপনি সেই কাজে ব্যর্থ।” আর রাজ্যপালের এই অভিযোগ শুনেই তৃণমূল রাজ্যপালকে “বিজেপির দালাল” বলে সমালোচনা করছে।
❤ Support Us





