- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ৫, ২০২৬
ভোটের ফল বেরোতেই উত্তপ্ত নানুর, রাজনৈতিক কোন্দলে নিহত এক
বিধানসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন গোটা রাজ্যে কোথাও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। ভোট মিটতেই রক্তাক্ত বাংলা। ফল ঘোষণার পরদিনই বীরভূমের নানুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। আর এই রক্তক্ষয়ী হিংসার বলি হলেন আবির শেখ নামে এক সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। নানুর থানার সন্তোষপুর গ্রামের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।
সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা আবির শেখ মঙ্গলবার বিকেলে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় একটা ফাঁকা জায়গায় একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন আবির শেখ। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। আবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলেই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছে।
আবির শেখকে হত্যার ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই নানুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সন্তোষপুর গ্রামে হাজির হয়। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে পুলিশকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রামে আবার যাতে নতুন করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচনে জেতার পর থেকেই বিজেপি সন্ত্রাস ও খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। বীরভূমের তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ‘এতদিন নানুর শান্ত ছিল। ভোটে জেতার পর শান্ত নানুরকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। আমাদের কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর বিচার চাই।’ অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।
❤ Support Us








