Advertisement
  • দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৫

বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের অন্ধকারে রেখে টাকার বিনিময় মন্ডল সভাপতির পদ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে পোস্টার, দলের কার্যালয়ে তালা।

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের অন্ধকারে রেখে টাকার বিনিময় মন্ডল সভাপতির পদ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে পোস্টার, দলের কার্যালয়ে তালা।

বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের অন্ধকারে রেখে টাকার বিনিময় মন্ডল সভাপতির পদ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে বিজেপির বাদুড়িয়া পৌর মন্ডলের কার্যালয়ে তালা লাগালো দলের একাংশ। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তাপস ঘোষের বিরুদ্ধে পোস্টার। বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে রাজৈতিক চাপানউতোর বসিরহাটে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন ব্লকে বিজেপির নতুন মন্ডল সভাপতি নিযুক্ত হয়েছে। বাদুড়িয়া পৌর মন্ডলে সভাপতি হয়েছেন বিশ্বজিৎ পাল ওরফে ছোট। বিশ্বজিৎকে দলের অনেকেই মানতে পারছেন না। অভিযোগ, বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ টাকার বিনিময়ে বিশ্বজিৎকে মন্ডল সভাপতি পদে বসিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ‘‌বাদুড়িয়া বিধানসভা বিজেপি কর্মীবৃন্দ’‌ নামে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে পোস্টার সেঁটে দিয়েছেন। পোস্টারে লেখা, ‘‌বসিরহাট জেলা বিজেপি–‌র সভাপতি তাপস ঘোষ টাকার বিনিময়ে বাদুড়িয়া বিজেপির পৌর মন্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ পাল (‌ছোট)‌–‌কে নিয়ুক্ত করেছে, আমরা বিজেপি কর্মীরা এটা মানবো না। তাই এই পার্টি অফিসে তালা মারলাম।’‌ প্রচারে :‌ ‌বাদুড়িয়া বিধানসভা বিজেপি কর্মীবৃন্দ। পোস্টার বিতর্ক নিয়ে নবনিযুক্ত বিশ্বজিৎ পাল বলেন, কাউকে টাকা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। নির্বাচনের মাধ্যমে আমি মন্ডল সভাপতি হয়েছি। বাদুড়িয়ায় বিজেপির কোন গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নেই। তৃণমূল এসব করে বিজেপি সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’‌ বিজেপির এই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নিয়ে তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান সরোজ ব্যানার্জি বলেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাদের কর্মীরা মমতা ব্যানার্জির উন্নয়ন প্রকল্প মানুষ পাচ্ছেন কিনা তা নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন।’‌ যাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার সেই তাপস ঘোষ বলেন, ‘‌এনিয়ে আমি কোন মন্তব্য করব না। সব মন্ডল সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন।’‌ জেলা সভাপতিকে কালিমা লিপ্ত করতে পারলে তাপস ঘোষের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লাভ হবে।‌ উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে দলীয় কার্যালয় তৈরির জন্য একটি টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস কিনে ৭০ হাজার টাকা ব্যবসায়ীকে শোধ করেন নি। এবং ওই সব সামগ্রী দলীয় কার্যালয়ে ব্যবহার না করে নিজের বাড়ির কাজে লাগিয়েছেন। র পাওনা টাকা না দেওয়ার ওই ব্যবসায়ী রাজ্য বিজেপি নেতাদের কাছে অভিযোগ করেন। এনিয়েও বেশ জলঘোলা হয়।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!