- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- আগস্ট ১১, ২০২৩
রাহুল গান্ধি: বিপর্যস্ত মণিপুর নিয়ে বলতে উঠে সংসদে পরিহাস, প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণ বেমানান
“মণিপুর জ্বলছে আর প্রধানমন্ত্রী হেসে হেসে সংসদে কথা বলছেন। সংসদে এসে একজন একজন প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে মণিপুর নিয়ে বিবৃতি দিতে এসে হাসি, জোকস মানায় না। মণিপুরে মানুষ মারা যাচ্ছে, মহিলাদের শ্লীলতাহানি হছে, ধর্ষণ করা হচ্ছে, আর প্রধানমন্ত্রী ২ ঘণ্টা ধরে সংসদে হেসে হেসে কথা নলছেন? প্রধানমন্ত্রী চান মণিপুর জ্বলুক, তাই মণিপুর নিয়ে বলার সময় প্রধানমন্ত্রী হাসছেন।”
VIDEO | “The PM was laughing and cracking jokes while speaking about Manipur in the Parliament which does not suit him,” alleges Congress leader @RahulGandhi. pic.twitter.com/tqVyeonauV
— Press Trust of India (@PTI_News) August 11, 2023
শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ঠিক এই ভাষাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমালোচনা করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি।
তিনি এদিন বলেন, “১৯ বছর রাজনীতি করছি। এমন মণিপুর কখনও দেখিনি, শুনিনি। চাইলে সেনা বাহিনীর ওপর দায়িস্ব দিলে তাঁরা ২ দিনে মণিপুরের এই অশান্তি ঠান্ডা করে দিতে পারত। এটা সারা দেশের সবাই জানেন, সেনা বাহিনীর ওপর দেশের মানুষের সেই ভরসা আছে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটা চান না। তিনি চান ডিভাইড অ্যান্ড রুল। তাই মণিপুর জ্বলছে আর সংসদে দু’ঘণ্টা ধরে হেসে হেসে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখছেন। মণিপুরের কথা যতটা না বলছেন তার চাইতে কংগ্রেস, বিরোধী ও রাহুল গান্ধির নাম সংসদে বেশি বলছেন। নিজের অ্যাম্বিশন, সাফল্য নিয়ে বলে চলেছেন, যা সংসদে না বলে জনসভায় বলার কথা। প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগনের মুখ। কিন্তু তিনি সেটা না মেনে নিজের কথা নিজের দলের কথা বলে গেলেন সংসদে। আসলে তিনি চান না মণিপুরে শান্তি ফিরুক, তিনি চান মণিপুর জ্বলুক,তাই তিনি হাসছেন।”
এদিন রাহুল গান্ধি বলেন, “আমি নিজে মণিপুর গিয়েছি। মণিপুর রাজ্যটা আর মণিপুর নেই। ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে। মেইতেই রা বলছে, আমাদের এলাকায় কুকিরা এলে তাদের গুলি করে মারব, কুকিরাও বলছে, আমাদের এলাকায় মেইতেইরা এলে তাদের গুলি করে মারব। তাই আমি সংসদে বলেছি, মণিপুরে ভারত মাতাকে খুন করা হয়েছে। ভারত একঠা ধারণা। সেই ধারণাকে খুন করা হয়েছে মণিপুরে, আর নরেন্দ্র মোদি ভারত মাতাকে খুন করা হবে বলে আমি যা বলেছি, তার অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে।”
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংকে নিয়ে অমিত শাহর বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধি বলেন, “মণিপুরে অস্ত্র লুঠ হচ্ছে। অস্ত্রাগার থেকে এই অস্ত্র লুঠ হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরও এসব হচ্ছে। আর অমিত শাহ ডিজিকে সরিয়ে দিচ্ছেন, বলছেন, এন বীরেন সিং তাঁর কথা শুনছেন। কথা শুনছেন বলেই কী মণিপুরে মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে?”
রাহুল গান্ধি বলেন, “প্রাধানমন্ত্রী হিসাবে আমি অটল বিহারী বাজপেয়ী, দেবে গৌড়াকে দেখেছি, তাঁরা দলের নয় দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আর এখন নরেন্দ্র মোদিকে দেখে, তাঁর কথা শুনে, তাঁকে সংসদে হেসে হেসে মণিপুর নিয়ে বলতে দেখে মনে হছে তিনি দলের প্রধানমন্ত্রী, দেশের নয়।”
❤ Support Us





