- দে । শ
- সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫
গৌড়েশ্বরের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত সন্দেশখালির গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতি ধান ও মাছ চাষে । জরুরি মেরামতিতে নামল সেচ বিভাগ
গৌড়েশ্বরের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত সন্দেশখালির গ্রাম। জরুরি মেরামতিতে নামল সেচ দফতর। ব্যাপক ক্ষতি ধান ও মাছ চাষে। উৎসবের মরসুমে প্লাবনের মুখে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি ১ ব্লকের সেহারা রাধানগর পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। খবর পেয়েই ছোটেন বিডিও। সেচ দপ্তর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধের কাজে নেমেছে। সোমবার দুপুরে সন্দেশখালি ১ ব্লকের সেহারা রাধানগর পঞ্চায়েতের নিত্যবেড়ি গ্রামে গৌড়েশ্বর নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকতে থাকে। বাঁধ ভাঙার খবরে নিত্যবেড়িয়া সহ আশপাশের গ্রামে আতঙ্ক ছড়ায়। গৌড়েশ্বর নদীর নোনা জল ঢুকতে থাকে গ্রামে। জলমগ্ন হয়ে পড়ে নদী বাঁধের পার্শ্ববর্তী পাড়া গুলি। চাষের জমিও নোনা জলের তলায় চলে যায়। ভেসে যায় মাছের ভেড়ি। গ্রামবাসীরা বাঁধ মেরামতির কাজে কোমরবেঁধে নেমে পড়েন। পরে সেচ দপ্তর ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সন্দেশখালি ১ ব্লকে বিডিও সায়ন্তন সেন যান পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে ভাঙন এলাকায় যান। সঙ্গে ছিলেন প্রধান দীপালি দাস, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অমিত সর্দার। এলাকার মানুষের অভিযোগ ৩ মাস ধরে প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যকে বাঁধের অবস্থা সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। কেউ গুরুত্ব দেয়নি। বিডিওকেও বলা হয়েছে। এখন বাঁধ ভেঙে গ্রাম ডুব যাওয়ার পর সবাই এসেছেন। এলাকার মানুষ বলেন, অন্তত ২০০ বিঘা জমির ধান নোনা জল ঢুকে নষ্ট হয়েছে। যারা মাছ চাষ করে ছিলেন তাঁদের সব মাছ ভেসে গেছে। পূর্ণিমার কোটালে নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়ে এই বিপত্তি। নোনা ঢুকে সব তছনছ করে দিয়েছে। আগে থেকে প্রশাসন উদ্যোগী হলে এত ক্ষতি হত না। বিডিও সাযন্তন সেন বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি। সেচদপ্তরকে বলা হয়েছে জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতি করতে। ইতিমধ্যে কাজে নেমে পড়েছে সেচ দপ্তর।
❤ Support Us





