- দে । শ
- এপ্রিল ৫, ২০২৫
চরম অব্যবস্থা সুন্দরবনের লাগোয়া হিঙ্গলগঞ্জের স্কুলে। দিশাহারা স্কুল কর্তৃপক্ষ। থমকে সরকারি প্রকল্প রূপায়নের কাজ।
কোথাও ক্লাস বন্ধ, কোথাও আবার সেকশন তুলে দিয়ে একসঙ্গে গাদাগাদি করে বসে ক্লাস। কোন স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে আর একজন শিক্ষকও স্কুলে রইল না। কোথাও কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী, সংখ্যালঘু বৃত্তি, মিড ডে মিলের মত সরকারি প্রকল্পগুলি চালানোই দুস্কর হয়েছে পড়েছে সুন্দরবন লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকে। এই ব্লকের একমাত্র হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ চালু। সেই বিজ্ঞান বিভাগ কী করে চলবে তানিয়ে ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাধন ঘোষ বলেন, ‘আমাদের স্কুলটা একটা পরিবারের মত। একটা পরিবার থেকে ৫ জন চলে গেলে যা হয়, আমাদেরও সেই অবস্থা। তিনি বলেন, ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন শিক্ষক রইলেন। চাকরি বাতিল ৫ জন শিক্ষকই বিজ্ঞান বিষয়ের। প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার এই ব্লকে একমাত্র আমাদের স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ চালু ছিল। এই সায়েন্স বিভাগের ভবিষ্যৎ কী হবে,তা নিয়ে একেবারে দিশাহারা অবস্থা। ঘোর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরাও । বিজ্ঞান বিভাগে একাদশ শ্রেণী থেকে যারা দ্বাদশ শ্রেণীতে উঠবে তারা এখন কোথায় যাবে। সরকারি প্রকল্পগুলি চালানো নিয়ে সমস্যা উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের কনকনগর সৃষ্টিধর ইনস্টিটিউশনে। আবার উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া ব্লকে একমাত্র হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ। সেখানে ৫ জন বিজ্ঞানের বিষয়ের শিক্ষকের চাকরি চলে গেছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে। কোথায় যাবে পড়ুয়ারা? এখনও কোন দিশা নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। হিঙ্গলগঞ্জের কনকনগর সৃষ্টিধর ইনস্টিটিশনের পড়ুয়ার সংখ্যা ১৪০০ জন। ১৫ জন শিক্ষক। চাকরি গেছে ৩ জনের। স্কুলের প্রধান শিক্ষক পুলক রায়চৌধুরি বলেন, স্কুলের একমাত্র অঙ্কের শিক্ষক একমাত্র এডুকেশন বিষয়ের শিক্ষক আসতে পারছেন না। কে অঙ্কের মত একটি প্রধান বিষয়ের ক্লাস নেবেন। একাদশ–দ্বাদশে এডুকেশন বিষয় ক্লাস কী ভাবে হবে? তিনি বলেন, একমাত্র কম্পিউটার জানা ক্লার্ক তাঁর চাকরি চলে গেছে। ১৭–১৮ টা সরকারি প্রকল্পে এই শিক্ষকরা নোডালের কাজ করতেন, বিষয়ের ক্লাস নিতেন। এখন ১৪০০ পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস চলবেই বা কীভাবে, আর সরকারি প্রকল্পগুলি রূপায়ন করা হবে কী করে, এব্যাপারে পুরোপুরি অন্ধকারে পড়ে গেছি।
❤ Support Us





