- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫
শর্করা শিল্প বাঁচাতে চিনির ন্যূনতম সহায়ক মুল্যে ২৫% বৃদ্ধির দাবি কো-অপারেটিভ ফেডারেশনের
নতুন শর্করা মৌসুমের আগে চিনি শিল্পের টেকসইতা নিশ্চিত করতে এবার সরব ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ কোঅপারেটিভ শুগার ফ্যাক্টরিজ। সংস্থাটি কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি পাঠিয়ে চিনি বিক্রির ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি ৩,১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,৯০০ টাকা প্রতি কুইন্টাল করার দাবি জানিয়েছে।
ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকাশ নাইকনভার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘এটি ভোক্তা মূল্যে কোনো প্রভাব ফেলবে না। বরং সমবায় চিনি মিলগুলোকে সহায়তা করবে এবং বাজার মূল্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।’ চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি শর্করা মৌসুমে (অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর) চিনি এক্স-ফ্যাক্টরি মূল্য প্রতি কুইন্টালে ৩,৮৬০ থেকে ৩,৯৪০ টাকার মধ্যে পরিবর্তিত হয়েছে। অথচ কেন্দ্রের বর্তমান এমএসপি ৩,১০০ টাকা। ফেডারেশন দাবি করছে, বাজার মূল্যের সঙ্গে এমএসপি-র এ বিরাট ফারাক উৎপাদন খরচের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত করছে না, তাই সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি অত্যাবশ্যক।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বর্তমান দাম ইতিমধ্যেই বাজারে প্রয়োগিত। তাই এমএসপি বৃদ্ধি করলে ভোক্তা মূল্য বা মূল্যস্ফীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। বরং এটি মিলের বাইরের মূল্যের জন্য আইনগত সমর্থন দেবে এবং শিল্পে স্থিতিশীলতা আনবে।’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী শর্করা মৌসুমে মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের অনুকূল বর্ষার কারণে দেশজুড়ে চিনি উৎপাদন বাড়তে পারে। এ বছরের মোট উৎপাদন প্রায় ৩১ মিলিয়ন টন হবে বলে অনুমান। এর মধ্যে ৪.৫ মিলিয়ন টন চিনি ইথানল উৎপাদনের জন্য এবং ২ মিলিয়ন টন রপ্তানির জন্য বরাদ্দ থাকবে। তবে, বাজারে চিনি সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। অকাল বৃষ্টি ও কীটপতঙ্গের আক্রমণের কারণে গত মরশুমে উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে চিনি প্রায় ২৬.২ মিলিয়ন টন পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। শিল্প বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমএসপি-র এই সংস্কার চিনি মিলগুলোর জন্য অর্থনৈতিক ভরসা তৈরি করবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি চিনি শিল্পে স্থিতিশীলতা ও স্বল্পমূল্যে চিনি সরবরাহ নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে।
❤ Support Us






