- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫
ট্রাম্পের ট্রুথে এক্স-এ বার্তা মোদির, ১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রতিনিধি দলের ভারত সফর । শুল্কে মিটবে বিরোধ ?
ভারত-মার্কিন সম্পর্কে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, দিল্লি ও ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিরা বাণিজ্য আলোচনার দ্রুত সমাপ্তির জন্য কাজ করছে, যা সম্ভবত আমেরিকার শুল্ক চাপ কমাতে সহায়ক হবে।
এক্স–এ এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, ‘ভারত এবং আমেরিকা ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং স্বাভাবিক অংশীদার। আমি নিশ্চিত যে আমাদের বাণিজ্য আলোচনা ভারত–মার্কিন অংশীদারিত্বের অসীম সম্ভাবনা উন্মোচনের পথ প্রশস্ত করবে। আমাদের কূটনীতিকরা এই আলোচনা দ্রুত শেষ করার জন্য কাজ করছে। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমরা দুজনই দুই দেশের জনগণের জন্য এক উজ্জ্বল ও আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত নিশ্চিত করার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মোদির এই পোস্টটি তাঁর নিজস্ব Truth Social প্ল্যাটফর্মে রি-পোস্ট করেন, যা সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করার ইঙ্গিত বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, বাণিজ্য আলোচনা শুরু করতে রাজেশ আগরওয়ালের নেতৃত্বে একটা ভারতীয় দল আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন যাচ্ছে। যদিও তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে বাণিজ্য আলোচনাকে গতিশীল করার জন্য দিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে টেলিফোনে কথা হচ্ছে। স্পষ্টতই, দুই শীর্ষ নেতা বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তিটি সম্পন্ন করার জন্য আমলাদের নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্ব নিজেরাই নিয়েছেন। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে নিজেই কথা বলবেন।
বাণিজ্য চুক্তি আবারও যে সঠিক পথে এগোচ্ছে, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৬টি পি৮১ অ্যান্টি–সাবমেরিন যুদ্ধবিমানের দাম নিয়ে ভারতীয় উদ্বেগ দূর করতে ১৭–১৮ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক প্রতিনিধি দল এদেশে আসছে। তেজাস মার্ক আইএ ফাইটারকে শক্তি যোগানোর জন্য চলতি মাসে ১১৩টি জিই–৪০৪ বিমানের ইঞ্জিন কেনার চুক্তিও স্বাক্ষর করবে দুই দেশ। যদিও কিছু মার্কিন কর্মকর্তা ভারতকে লক্ষ্য করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তীব্রতা বাড়িয়েছেন, তবুও সামগ্রিকভাবে সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে এগিয়ে চলেছে ।
এএফপি দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনার সময় ট্রাম্প ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেন চিন ও ভারতের মতো তেল ক্রেতা দেশগুলোর বিরুদ্ধে।
মাত্র এক মাস আগে, ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করেছেন, যার মধ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার প্রতিক্রিয়ায় আরোপিত।
ভারত এই পদক্ষেপকে “অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অনুপযুক্ত” হিসেবে অভিহিত করেছে।
❤ Support Us







