- বৈষয়িক
- জুলাই ২০, ২০২৪
প্রতিরক্ষা রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে তুরস্ক
গত এক দশক ধরে ভারত ও তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক কখনোই মধুর ছিল না। পাকিস্তানের সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দিল্লির সাথে তার সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার জন্য তৈরি। প্রতিরক্ষা রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে তুরস্ক। ভারত সম্পর্কে তুরস্ক সরকারের গোপন নীতি প্রকাশ্যে এসে পড়েছে।
১০ জুলাই তুরস্কের পার্লামেন্টে রুদ্ধদ্বার অধিবেশনে বৈদেশিক বিষয় কমিটির বিতর্কের সময় প্রতিরক্ষা রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতকে কালো তালিকাভুক্ত করা বিষয়টা আলোচনা হয়। তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় অস্ত্র সংগ্রহকারী সংস্থা ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির ডেপুটি চেয়ারম্যান মোস্তফা মুরাত সেকার অসাবধানতাবশত ভারত সম্পর্কে সরকারের গোপন নীতি প্রকাশ করে ফেলেন।
গত এক দশকে রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের প্রশাসনের অধীনে ভারত–তুরস্ক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে দ্বন্দ্বে পাকিস্তানের প্রতি আঙ্কারার অটল সমর্থনের কারণে। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের গোপন আধাসামরিক গোষ্ঠী ‘সাদাত’, তার প্রাক্তন প্রধান সামরিক সহযোগী আদনান তানরিভারদির নেতৃত্বে ভারতবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। এই দলটি কাশ্মীরি বংশোদ্ভূত সৈয়দ গোলাম নবি ফাইকে নিয়োগ করেছিল, যিনি ভারতের বিরুদ্ধে অর্থ সংগ্রহের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কারাগারে বন্দী ছিলেন।
তবে তুরস্কের এই নিষেধাজ্ঞা ভারতকে প্রভাবিত করবে না। ভারত ইতিমধ্যেই তুর্কি প্রতিরক্ষা সংস্থার সাথে ২ বিলিয়ন ডলারের নৌ চুক্তি প্রত্যাহার করেছে এবং আঙ্কারায় প্রতিরক্ষা রপ্তানি বাতিল করেছে। দিল্লি প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরির ওপর জোর দিয়েছে। যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
❤ Support Us








