- বি। দে । শ
- অক্টোবর ৯, ২০২৬
টাটা-উইপ্রো-ইনফোসিস-সহ ৮ আইটি সংস্থার উপর কোপ ট্রাম্প প্রশাসনের, সঙ্কটে ভারতীয়দের মার্কিন চাকরি?
প্রধান ৮ আইটি সংস্থাকে স্থায়ী শ্রম শংসাপত্র কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল, ক্যাপজেমিনি, মাইক্রোসফট এবং অ্যাডোবির মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। মার্কিন শ্রম দপ্তর জানিয়েছে যে, এই সংস্থাগুলি সম্পর্কিত নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং আবেদন প্রক্রিয়াকরণও আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না। মার্কিন শ্রম সচিব কিথ সন্ডারলিং, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন দুর্নীতি–বিরোধী টাস্ক ফোর্সের প্রধানদের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন।
সংস্থাগুলির অতীতের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে মার্কিন শ্রম সচিব বলেন, শুধুমাত্র এই সংস্থাগুলিই ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মীর জন্য আবেদন করেছে। তিনি আরও বলেন যে, এই সংস্থাগুলির জন্য ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এইচ–১বি ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে এবং ১ লাখের বেশি স্থায়ী শ্রম সনদও প্রদান করা হয়েছে। পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে সন্ডারলিং অভিযোগ করেছেন, বিদেশি কর্মীদের কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আমেরিকানের চাকরি চলে গেছে। তিনি বলেন, এই পদগুলি আমেরিকান কর্মীদেরই পূরণ করার কথা ছিল। এই পদক্ষেপটিকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং আমেরিকান সংস্থাগুলির শ্রম অনুশীলনের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রযুক্তি ও আইটি খাতে এই সংস্থাগুলির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
এই সংস্থাগুলির মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয় অথবা ভারতে বড়ো পরিসরে ব্যবসা করে। পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের অধীনে, আমেরিকান সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। তাই, এই প্রোগ্রাম থেকে ৮টি বড়ো সংস্থাকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়াকে ভারতীয় আইটি খাত এবং আমেরিকায় কর্মরত বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা যেতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতের ওপর। কারন প্রতিবছর এইচ–১বি ভিসা আবেদনের ৭০ শতাংশ আসে ভারতীয়দের কাছ থেকে। ফলে ভারতীয় সংস্থাগুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপায় এখানকার কর্মীদের মার্কিন মুলুকে চাকরির বাজার সঙ্কুচিত হয়ে গেল।
❤ Support Us








