Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১৩, ২০২৫

হাত শিবিরের “ভোট চুরি” অভিযোগ, সোনিয়াকে টেনে পাল্টা বিঁধল পদ্ম

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
হাত শিবিরের “ভোট চুরি” অভিযোগ, সোনিয়াকে টেনে পাল্টা  বিঁধল পদ্ম

বুধবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে পাল্টা আক্রমণ শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি । প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধির ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিজেপি, এবং বিরোধী নেতাদের ভোটার তালিকায় অনিয়মের মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার অভিযোগ আনে।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর অভিযোগ করেন, কিছু কংগ্রেস ও বিরোধী নেতারা “ঘুসপেটিয়া”ভোটারদের সাহায্যে নির্বাচন জিতেছেন। বিহারে নির্বাচন কমিশনের চলমান বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (SIR)-এর বিরোধিতা করার জন্য কংগ্রেসকে অভিযুক্ত করেন তিনি এবং বলেন, তারা তাদের “ভোটব্যাংক” রক্ষার জন্য এমন করছে। সেই সঙ্গে তিনি “তোষণের রাজনীতি”-র সমালোচনাও করেন।

অনুরাগ ঠাকুর দাবি করেন, রায়বেরেলি (রাহুল গান্ধির কেন্দ্র), ডায়মন্ড হারবার ( তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র) এবং কান্নৌজ (সপা প্রধান অখিলেশ যাদবের কেন্দ্র) এই সব লোকসভা কেন্দ্রে একাধিক ভোটার, ভুয়া ঠিকানা, জাল বয়স ও গোষ্ঠীগত ভোট দেওয়ার মতো অনিয়ম দেখা গেছে।

আলাদাভাবে, বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও দাবি করেন যে সোনিয়া গান্ধির নাম ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছিল, যা তার ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণের (১৯৮৩ সালে) আগের ঘটনা। তিনি জানান, তখনও সোনিয়া গান্ধির ছিল ইতালীয় নাগরিকত্ব, এবং তার নাম ১, সাফদারজং রোড, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির সরকারি বাসভবন এর ঠিকানায় গান্ধি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছিল।

মালব্য অভিযোগ করেন, এই নাম অন্তর্ভুক্তি নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে, কারণ ভোটার হওয়ার জন্য ভারতীয় নাগরিক হওয়া আবশ্যক। তিনি আরও বলেন, ১৯৮২ সালে সোনিয়ার নাম মুছে ফেলা হয় এবং ১৯৮৩ সালে আবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। “এটাই যদি প্রকাশ্য নির্বাচনী অনিয়ম না হয়, তবে আর কোনটা অনিয়ম ?” — সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স -এ এমনটাই লিখেছেন মালব্য।

এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সূচনা হয় রাহুল গান্ধির ৭ই আগস্টের বক্তব্য থেকে, যেখানে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে “ভোট চুরি”-র অভিযোগ তোলেন এবং বলেন তার কাছে “প্রমাণ” আছে যে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, “এক কোটি রহস্যজনক ভোটার” রয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ধ্বংস করা হয়েছে, এবং নির্বাচন কমিশন ভোটার-সম্পর্কিত তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে।

যদিও কংগ্রেস বা বিজেপি-র এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!