Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ২২, ২০২৫

খড়ি নদীর বাঁশের সেতু ভেঙ্গে বিচ্ছিন্ন ১০ গ্রাম

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
খড়ি নদীর বাঁশের সেতু ভেঙ্গে বিচ্ছিন্ন ১০ গ্রাম

মধ্যরাতে স্রোত আর কচুরিপানার ঠেলায় ভাঙল লজঝড়ে বাঁশের সেতু। পূর্বস্থলী ১নং পঞ্চায়েতের নান্দাই পঞ্চায়েতের গোটা দশেক গ্রামের যোগাযোগের প্রধান ভরসা খড়ি নদীর উপর ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ায় চরম সমস্যায় কয়েক হাজার মানুষ। এলাকার বিডিও সুপ্রতীক সাহা বললেন, ‘সেতুটি দ্রুত মেরামতির জন্য পঞ্চায়েতকে বলা হয়েছে।’ সেতু ভেসে যাওয়ায় নদীর ২ প্রান্তে সেতুর উপর দড়ি খাটিয়ে সেই দড়ি ধরে নদী পারাপার করতে হচ্ছে ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের। অনেকে আবার নৌকা ব্যবহার করছেন। গ্রামবাসীদের দাবি, সেতুটি শুধু মেরামত করলেই হবে না। স্থায়ী পাকা সেতু তৈরি করা হোক।

পূর্বস্থলী ১নং ব্লকের নাদনঘাট থানার নসরৎপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দাদপুর ও কালনা থানার নান্দাই গ্রাম পঞ্চায়েতের কুটিরডাঙ্গার মধ্যে বয়ে চলেছে খড়ি নদী। নদীর এক পাড়ে রয়েছে নসরৎপুর পঞ্চায়েতের দাদপুর। অন্য প্রান্তে রয়েছে নান্দাই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুটিরডাঙ্গা, দুপসা, পারদুপসা, খড়িনান-সহ ১০টি গ্রাম। এই ১০ গ্রামের মানুষজনকে রোজকার প্রয়োজন যেমন হাট-বাজার ঘাট, স্কুল-কলেজ, রেলস্টেশন, হাসপাতালে যেতে হলেও নদী পারাপার করতেই হয়। এছাড়া দাদপুরের বহু মানুষ দুধের ব্যবসা করেন। তাদের দুধ নিয়ে নান্দাই পঞ্চায়েতের ১০টি গ্রামে আসতেই হয়। নদী পারাপারের জন্য একমাত্র সম্বল এই বাঁশের তৈরি সেতুটি দিয়েই পারাপার করতেন সকলে। এই গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য সেতুটি ভেসে যাওয়ায় সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে জানালেন এলাকার বাসিন্দারা। দীপঙ্কর মণ্ডল, সুদেব রাজোয়াররা বলছিলেন, ‘রাতবিরেতে বিপদ-আপদ হলে কী করব ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছি না।’ জানা গেল, গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে বাঁশের সেতুটিকে ভেসে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়নি। আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে নদীর উভয় প্রান্তে দড়ি বেঁধে নৌকা নিয়ে অতি কষ্টে পারাপার হচ্ছেন মানুষজন। দড়ি ধরে ধরে নদী পারাপার রীতিমত ঝুঁকিপূর্ণ। নিরুপায় হয়েই এমনটা করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান এলাকার বাসিন্দারা। সেতুটি ভেসে যাওয়ায় প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!