- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- মে ২৯, ২০২৩
প্ৰথম এভারেস্ট জয়ের ৭০ বছর পূর্ণ। নেপালে দুই কৃতীর মূর্তি উন্মোচনে দুই উত্তরপুরুষ
১৯৫৩ সালে ২৯ মে এভারেস্টের শৃঙ্গে প্রথম পা রেখেছিলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি। তাঁদের এভারেস্টের শীর্ষে ওঠার ৭০তম বার্ষিকী বিশেষভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তেনজিং নোরগের ছেলে জামলিং নোরগে ও এডমন্ড হিলারির ছেলে পিটার হিলারি।
এই উপলক্ষ্যে রবিবার নেপালের লুকলার তেনজিং হিলারি বিমানবন্দরে তাঁদের বাবাদের মূর্তি উন্মোচন করেন জামলিং এবং পিটার। এছাড়া প্রথম মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ অভিযানের ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৭০টি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করেন। এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য নিউজিল্যান্ডের বাড়ি থেকে উড়ে এসেছিলেন জামলিং। আর নেপালের খুমজুংয়ে একটা স্কুলের অনুষ্ঠানের জন্য রবিবার সেখানেই ছিলেন পিটার হিলারি।
দুই পর্বতারোহীর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই এভারেস্ট শৃঙ্গে উঠেছিলেন জামলিং নোরগে ও পিটার হিলারি। যদিও তাঁরা দুজনে একসঙ্গে এভারেস্টে ওঠেননি। জামলিং ও পিটার চান তাঁদের সন্তানরাও পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রাখুক। এই ব্যাপারে জামলিং বলেন, ‘পাহাড়ের সঙ্গে দুটি পরিবারের দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছিল। আমার বাবা এবং স্যার এডমন্ডের মধ্যে পাহাড়ে ওঠার সময় বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। আশা করছি তাঁদের ছেলেমেয়েরা এবং নাতি–নাতনিরা পারিবারিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
তেনজিং নোরগের এভারেস্ট শৃঙ্গে ওঠার ১৩ বছর পর জামলিং জন্মগ্রহণ করেন। জামলিং বলেন, ‘যখন আমার বয়স ৮ বছর, আমি তখন বুঝতে শুরু করি যে আমার বাবা একজন সেলিব্রিটি। পর্বত আরোহণে আমার বাবা একজন অগ্রগামী ছিলেন। তখন থেকেই আমি পর্বতারোহনের ব্যাপারে উৎসাহিত হয়ে পড়ি। আমি বাচ্চাদের কাছে গল্প করি, তাদের পাহাড় উঠতে উৎসাহিত করি। আমার ছোট মেয়েও ট্রেকে আমার সঙ্গে যায়।’
অন্যদিকে পিটার হিলারি বলেন, ‘আমি যখন দার্জিলিং যাই, জামলিং এবং তাঁর ভাইদের সঙ্গে দেখা করি। দুই পরিবারের মধ্যে আমাদের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে।’ দুই পরিবারের সদস্যরা পাহাড়ে কর্মশালা এবং ক্যাম্পের আয়োজন করে থাকে এবং পাহাড় পরিষ্কার রাখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।
❤ Support Us







