- Uncategorized এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ৫, ২০২৬
শমীক ভট্টাচার্য : প্রতিহিংসার রাজনীতি বরদাস্ত নয়, গণতন্ত্রের শর্ত মেনেই বিরোধী মতকে দেওয়া হবে গুরুত্ব
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “কোনও রাজনৈতিক হিংসা বিজেপি বরদাস্ত করে না । এসব কেউ যদি বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে করে তাকে বিজেপি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে ।”
বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এক দিনের মধ্যেই আমূল বদলে গেল দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটের চিত্র । দীর্ঘদিনের কড়া নিরাপত্তা আর বিধিনিষেধের অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার সকালে সরিয়ে দেওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়ির দিকে যাওয়ার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে থাকা ‘সিজারস ব্যারিকেড’।
রাজ্যে বিজেপির বড় জয়ের পর সোমবার রাতেই কালীঘাট এলাকায় বিজয় মিছিল করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা । বাইক মিছিলও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আশপাশে । যদিও সেই সময়ও ব্যারিকেড আগের মতোই ছিল, তবে পরদিন সকালেই তা সরিয়ে নেওয়া হয় । এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন, “আমাদের দলের কাউকে যেমন বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হবে না, তেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বাইরেও কোনও পুলিশি প্রহরা থাকবে না । ২৫০ জন পুলিশ নিয়ে দিল্লি যাওয়া যাবে না । কেন পুলিশ কর্মীরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকবে কারও বাড়ির বাইরে ? এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন । আমরা বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের রাজনীতি করার জায়গা দেব । শুভেন্দু অধিকারীকে যেমন বিরোধী দলনেতা হিসেবে হয়রান করা হয়েছে, গাড়িতে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটা আমরা করব না । বিরোধীদের রাজনীতি করার জায়গা দেব, যেটা গণতন্ত্রের শর্ত ।
শমীক ভট্টাচার্য বিরোধীদের ওপর দলীয় কর্মীদের আক্রমণ , মহিলাদের প্রতি কু-ভাষা প্রয়োগ করতে, জয়ের আনন্দে ডিজে বাজাতে নিষেধ করে পুলিশের ওপর এই বিষয়ে নজরদারি করার নির্দেশ দিয়েছেন । মুখ্যসচিবকে কোনও দলের নাম না দেখে যে কোনও রকম অশালীন ও আক্রমণাত্মক আচরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন । পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, বিজয়ের উৎসবে তাদের দল ডিজে বাজাবে না । রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন হবে । না হলে আমাদের সঙ্গে তৃণমূলের পার্থক্য কোথায় ? তৃণমূলের জীবনচক্র শেষ হয়ে গেছে ।”
❤ Support Us








