- দে । শ
- ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
জাতিগত নির্যাতনের প্রতিবাদ, প্রতিহিংসায় দেরাদুনে নিহত ত্রিপুরার ছাত্র
জাতিগত নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে হত্যা করা হল ত্রিপুরার এক ছাত্রকে। ভাইয়ের সঙ্গে বাজারে যাওয়ার সময় কয়েকজন মদ্যপ ব্যক্তি অ্যাঞ্জেল চাকমার ওপর হামলা চালায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ১৫ ধরে চিকিৎসা চলার পর বৃহস্পতিবার মারা যান ত্রিপুরার ওই ছাত্র। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিস ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে।
অ্যাঞ্জেল চাকমার ভাই মিশেল অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। মিশেল চাকমার অভিযোগ, ৯ ডিসেম্বর সন্ধেয় তাঁরা বাজারে গিয়েছিলেন। দুজনে কিছু গৃহস্থালীর জিনিসপত্র কেনার সময় কয়েকজন মাতাল তাঁদের বিরুদ্ধে জাতপাত নিয়ে গালাগালি শুরু করে। অপমানজনক কথা বলে। অ্যাঞ্জেল চাকমা সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানান। এরপরই ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ছুর ও রড দিয়ে আক্রমণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় অ্যাঞ্জেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার ৩ দিন পর মিশেল স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ৫ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন নেপালের বাসিন্দা। মিশেল পুলিশের কাছে দায়ের করা এফআইআরে বলেন, ‘আমার ভাই যখন তাদের জাতপাতভিত্তিক অপমানের প্রতিবাদ করে, তখন অভিযুক্তরা তাকে ছুরি এবং রড দিয়ে আক্রমণ করে।’ আক্রমণের ১৫ দিন পর চিকিৎসারত অবস্থায় বৃহস্পতিবার দেরাদুনের একটা হাসপাতালে মারা যান অ্যাঞ্জেল চাকমা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে অ্যাঞ্জেলের মাথা এবং ঘাড়ে গভীর আঘাত লেগেছিল।
মিশেল এখনও আতঙ্কে রয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা অভিযুক্তর পরিচিতরা আবার তাঁকে আক্রমণ করবে, কারণ তারা প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ। অ্যাঞ্জেলের বাবা উত্তর–পূর্ব ভারতে নিযুক্ত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একজন সৈনিক। শেষকৃত্যের জন্য অ্যাঞ্জেল চাকমার মৃতদেহ ত্রিপুরায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
❤ Support Us






