Advertisement
  • এই মুহূর্তে স | হ | জ | পা | ঠ
  • আগস্ট ১৪, ২০২৩

রবি রহস্য উদ্ঘাটনে প্রস্তুতি শুরু ইসরোর। আগামী মাসেই মহাকাশে পাড়ি দেবে আদিত্য

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রবি রহস্য উদ্ঘাটনে প্রস্তুতি শুরু ইসরোর। আগামী মাসেই মহাকাশে পাড়ি দেবে আদিত্য

চাঁদের বাড়ি পৌঁছাতে আর খুব বেশি দেরি নেই, তারই মাঝে সুয্যিমামার রহস্য উদঘাটনে উদ্যোগী হল ইসরো। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে পৃথিবীর প্রাণশক্তির যে উৎস তাকে পর্যবেক্ষণের জন্য আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি মহাকাশযান প্রেরণ করা হবে। যার নাম দেওয়া হয়েছে আদিত্য এল ওয়ান। সৌর জগতের উদ্দেশে এটি ভারতের সর্বপ্রথম কোনো অভিযান। যা সফল হলে ভারতীয় মহাকাশবিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে এক নতুন নজির তৈরি হবে।

বেঙ্গালুরুতে তৈরি রকেটটির উৎক্ষেপণ হবে চন্দ্রযান-৩ এর উৎক্ষেপন স্থল অর্থাৎ অন্ধপ্রদেশের শ্রী হরিকোটা থেকে। ইসরো সূত্রে জানানো হয়েছে পৃথিবী র থেকে ১৫ লক্ষ কিম দূরে একটি হ্যালো কক্ষপথে এটিকে প্রবেশ করানো হবে। সেখানে ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট বা এল ওয়ান বিন্দু থেকে এটি সৌর বায়ুমণ্ডল, সৌর চৌম্বকীয় ঝড় এবং চারপাশের পরিবেশের উপর এর প্রভাব অধ্যয়ন করবে আর এক্ষেত্রে গ্রহণ সমস্যা কোনো রকম তৈরি করতে পারবে না বলে মনে করছেন বৈজ্ঞানিকরা। সেই কারণেই তাঁদের এ সিদ্ধান্ত। জানা গেছে,  সূর্যের একাধিক স্তর যেমন-ফটোস্ফিয়ার,  ক্রমোস্ফিয়ার  ও করোনা  পর্যবেক্ষণ করবে এই রকেটটি।

আদিত্য এল ওয়ান মিশনের মূল লক্ষ্যই হল- সৌর জগত থেকে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা। প্রথমে এটিকে পৃথিবীর নিম্নকক্ষে প্রতিস্থাপন করার পরই তাঁকে নির্ধারিত জায়গায় নয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করেছে ইসরো। তাঁদের মতে, পৃথিবীর মাধাকর্ষণ শক্তির বাইরে যাওয়ার পরেই এই সৌরযানের মূল চ্যালেঞ্জ শুরু হবে। তা সফলভাবে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিস্থাপিত করার পদ্ধতি যথেষ্ট জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাপ আর রেডিয়েশনই তার মূল কারণ। বলাবাহুল্য, এখনো পর্যন্ত সৌর মিশনের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল নাসা-র পার্কার সোলার প্রোব। যার জন্য ব্যয় হয়েছিল ১৫০ কোটি মাঈকিন বিলিয়ন ডলার। সেসময় নক্ষত্রটির ওপরের বায়ুমণ্ডল পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয়। বেশ কিছু সেখান থেকে একাধিক তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছিল। এখন ভারতের আদিত্য আরো কিছু জানতে পারে কিনা সেদিকেই  অধীর আগ্রহে তাকিয়ে  মহাকাশপ্রেমীরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!