- দে । শ
- আগস্ট ১৬, ২০২৩
পাঁচ হাজার কোটির ১৭ তলা বাড়িতে হেলিপ্যাড, জিম। বিত্তের প্রাচুর্যে পিছিয়ে নেই অনিল আম্বানিও
পড়ন্ত অবস্থা, বাজারে আর্থিক দেনা। তবু বিলাসবহুল জীবন যাপনের কমতি নেই ধীরুভাই আম্বানির দ্বিতীয় সন্তান অনিল আম্বানির। ১৭ তলার বাসভবনে বিলাসিতার সামগ্রীর অভাব নেই, দুনিয়ার নানা দেশের দৃশ্য সম্পদ ছড়িয়ে আছে । সবচেয়ে বড় কথা। হেলিকপ্টার নামুক বা নামুক, ১৬ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিশাল হেলিপ্যাড, একাধিক সুইমিং পুল এবং অত্যাধুনিক জিম। যার মূল্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তুলনায় মুকেশ আম্বানির বাসভবন অনেক বেশি উঁচু। মূল্য ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। মুকেশের বাড়ির বাসিন্দা কূল্যে পাঁচ, পরিচর্যায় নিযুক্ত কয়েকশো কর্মী। অনিল-মুকেশের সম্পর্ক ভালো নয়, বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে দুজন যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। আসলে, প্রাচুর্যের দেখনদারি।
ধীরুভাই ছিলেন মাটি ছোঁয়া মানুষ। ব্যবসার হাল-হকিকত জানতেন। সাধারণ অবস্থা থেকে ভারতের অন্যতম সেরা শিল্পপতি হিসেবে তাঁর উত্তরণ ঘটেছিল। রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁর দহরম মহরম ছিল নিঃশব্দ আর ঘনিষ্ঠ। বিপদে অনেকের পাশে দাঁড়াতেন। অমিতাভ বচ্চনের যখন ব্যাপক অর্থ সংকট দেখা দিল, ছেলেদের ডেকে নিইয়ে বললেন, তাঁর পাশে দাঁড়াও। আম্বানি ভাইয়েরা কেউ বাবার ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেননি। অমিতাভ সাহায্য নিতে চাননি। সম্প্রতি, কৃতজ্ঞচিত্তে ধীরুভাইয়ের সৌজন্যকে স্মরণ করে ছেন।
অনিল আম্বানির একজন মুখপাত্র বলেছেন, তিনি তাঁর বাবার মতোই নিরামিষাশী। নেশা-টেশা করেন না। পরিবার আর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ। সচরাচর বাইরে বেরোন না। বাড়িতে বসেই সন্তানদের সঙ্গে সিনেমা দেখেন। তাঁর স্ত্রী টিনা মুনিম একসময় বলিউডে অভিনয় করতেন। তখনই অনিলের নজরে আসেন। পারিবারিক সমর্থন নিয়ে দুজনের স্থায়ী বন্ধন তৈরি হয়। তাঁদের দুই ছেলে, জয় আনমোল আর জয় আনশুল আম্বানি। মা-বাবার মতোই সৎ যাপনে অভ্যস্ত।
❤ Support Us





