- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ৬, ২০২৬
ইউজিসির ‘সমতা বিধি’ পুনর্বিবেচনায় কমিটি গড়ছে কেন্দ্র, উত্তরপ্রদেশের ভোটের আগে ক্ষোভ সামাল দেওয়ার নয়া কৌশল ?
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ‘ইউজিসি’-র নতুন সমতা বিধি ঘিরে বিতর্কের জল গড়িয়েছে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। জাতিভিত্তিক বৈষম্য রুখতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে একাধিক ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হলেও, সে বিধির আওতায় সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের যথাযথ সুরক্ষা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। একদিকে দলিত, জনজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির পড়ুয়াদের বৈষম্য থেকে রক্ষা করার প্রশ্ন, অন্যদিকে সাধারণ শ্রেণির পড়ুয়াদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি — দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে কার্যত রাজনৈতিক বিড়ম্বনায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিশেষ করে আগামী বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে উচ্চবর্ণের ভোটব্যাঙ্কের একাংশের অসন্তোষ ইতিমধ্যেই বিজেপির অন্দরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিতর্কিত বিধিগুলি পুনর্বিবেচনার জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চের সামনে কেন্দ্র সরকারের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ২০২৬ সালের ‘প্রমোশন অফ ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস রেগুলেশনস’ বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমতা বিধি নতুন করে পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের কথা ভাবছে সরকার। তাঁর বক্তব্য, কোনো পড়ুয়াই যাতে নিজেদের বঞ্চিত বা অবহেলিত বলে মনে না করেন, তা নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্র। প্রত্যেক পড়ুয়ার স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই সরকারের উদ্দেশ্য। আদালতে তিনি বলেন, ‘কারও মনে যেন কোনো আশঙ্কা না থাকে।’ সরকারের তরফে আরও নির্দিষ্ট অবস্থান জানানোর জন্য তিনি চার সপ্তাহ সময় চান। সে আবেদন মেনে মামলার পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, তরুণ প্রজন্মের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। জবাবে সলিসিটর জেনারেল বলেন, ‘আমরাও তরুণ প্রজন্মের স্বার্থের কথা বিবেচনা করছি।’ তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও গত ২০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ‘ইউজিসি’-র বিতর্কিত বিধিগুলি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। সে বারও আদালতের কাছে সময় চেয়েছিলেন তুষার মেহতা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি বিধিগুলির খুঁটিনাটি সংশোধনের জন্য সময় নিচ্ছে কেন্দ্র, না কি উত্তরপ্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অসন্তোষ প্রশমিত করাই সরকারের অগ্রাধিকারের জায়গা?
চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি সরকারি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২০২৬ সালের নতুন বিধি প্রকাশ করেছিল ‘ইউজিসি’। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, প্রতিবন্ধকতা ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে বৈষম্য রুখতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি করা হয়। নতুন নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিকে সমতা কমিটি গঠন, অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালু এবং নির্দিষ্ট আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিধির ৩(১)(সি) ধারায় জাতিভিত্তিক বৈষম্যের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই আপত্তি উঠেছে। ওই ধারায় তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (ওবিসি) সদস্যদের বিরুদ্ধে জাতি বা জনজাতির ভিত্তিতে হওয়া বৈষম্যকে জাতিভিত্তিক বৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, এ সংজ্ঞায় সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়া ও শিক্ষকেরা জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সুরক্ষা থেকে কার্যত বঞ্চিত হচ্ছেন।
নতুন বিধিতে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল। সেই কমিটিগুলিকে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা দেওয়ার কথা বলা হয়। সমালোচকদের আশঙ্কা, বিধির অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক অভিযোগ দায়ের হতে পারে। তাঁদের আরও অভিযোগ, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈষম্য দূর করার উদ্দেশ্য থাকলেও বিধির ভাষা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য রাখা হয়নি। অন্যদিকে, এই বিধির পক্ষে থাকা অংশের বক্তব্য, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন প্রান্তিক সম্প্রদায়ের পড়ুয়ারা। তাঁদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। ফলে বিধির পুনর্বিবেচনার নামে বৈষম্যবিরোধী সুরক্ষাকে দুর্বল করা চলবে না। ফলে, দুই বিপরীত অবস্থানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন কেন্দ্রের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ।
নতুন বিধি নিয়ে বিতর্কের জেরে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক, আইনজীবী বিনীত জিন্দল এবং রাহুল দেওয়ান-সহ কয়েক জন মামলাকারী ২০২৬ সালের বিধির সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তাঁদের দাবি ছিল, নতুন বিধির একাধিক ধারা সংবিধানের সাম্যের নীতির পরিপন্থী, ‘ইউজিসি’ নিজের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এই নিয়ম তৈরি করেছে। গত ২৯ জানুয়ারি মামলাগুলির শুনানিতে নতুন বিধির উপর স্থগিতাদেশ জারি করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পর্যবেক্ষণ ছিল, বিধিগুলির কয়েকটি অংশ প্রাথমিক ভাবে অস্পষ্ট এবং তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। আদালতের আশঙ্কা, যথাযথ পর্যালোচনা ছাড়া এ বিধি কার্যকর হলে সমাজে বিভাজন তৈরি হতে পারে। শুধু জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞাই নয়, নতুন বিধির আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। বিশেষ করে র্যাগিংয়ের মতো গুরুতর সমস্যাকে বৈষম্যের স্বতন্ত্র রূপ হিসেবে কেন চিহ্নিত করা হয়নি, তা নিয়ে কেন্দ্র ও ‘ইউজিসি’র কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
পাশাপাশি, জাতির ভিত্তিতে পৃথক হস্টেল তৈরির প্রস্তাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতিরা। স্থগিতাদেশ জারির পাশাপাশি সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত জানিয়ে দেয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ২০১২ সালের ‘ইউজিসি’ সমতা বিধিই কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের নতুন বিধি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। পুরনো বিধিগুলিই বহাল থাকছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগে আরও কার্যকর ব্যবস্থা চালুর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন পায়েল তাড়ভি এবং রোহিত ভেমুলার মা। ঐতিহাসিক ভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত দুই পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। উচ্চবর্ণের পড়ুয়াদের হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁদের ক্ষেত্রে। সে মামলার সূত্র ধরেই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈষম্য প্রতিরোধে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আসে। ২০২৬ সালের নতুন বিধি প্রণয়নের পিছনেও সে প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
এদিকে, ‘ইউজিসি’-র সমতা বিধি নিয়ে বিতর্ক কেবল শিক্ষাক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে তা ক্রমশ রাজনৈতিক তাৎপর্য অর্জন করেছে। রাজ্যের তথাকথিত উচ্চবর্ণের মানুষের একাংশের মধ্যে নতুন বিধি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিজেপির একাধিক পদাধিকারীর পদত্যাগ, দলের স্থানীয় স্তরে ক্ষোভ প্রকাশ সেই অস্বস্তিরই ইঙ্গিত দিয়েছে। ১৯৮৯ সাল থেকে উচ্চবর্ণের ভোটারদের একটি বড়ো অংশ বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে ওবিসি, তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতির ভোটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন সম্প্রদায়ের সম্মিলিত জনসংখ্যা সাধারণ শ্রেণির তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এক দিকে উচ্চবর্ণের অসন্তোষ প্রশমিত করা, অন্য দিকে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমর্থন ধরে রাখা — দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে বিজেপিকে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বিজেপি। গোটা দেশে দলের আসনসংখ্যা ৩০৩ থেকে কমে ২৪০-এ নেমে আসে। সেই নির্বাচনে বিরোধীদের প্রচারের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল, বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরলে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষণ ব্যবস্থা তুলে দিতে পারে। প্রচারের প্রভাব পড়েছিল দলিত ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ভোটে। এবার ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন করে ভোটব্যাঙ্কে অসন্তোষ তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এ সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে ‘ইউজিসি’-র বিধি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো সংঘাত তৈরি হোক, তা চাইছে না বিজেপি নেতৃত্ব। দলের নেতাদের একাংশের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশের পর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। নির্বাচনের আগে এ অসন্তোষ আরও কমে যাবে বলেও তাঁদের আশা।
তবে, উত্তরপ্রদেশের বিজেপির অন্দরে অসন্তোষের ছবি প্রকাশ্যে আসছে। গত মাসে বারাণসীতে বিজেপির একটি সাংগঠনিক বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে দলের কেন্দ্রীয় স্তরের এক পদাধিকারী ‘ইউজিসি’-র বিতর্ককে ‘দো ধারী তলোয়ার’ বা দু‘ধারী তলোয়ার বলে উল্লেখ করেন। দলীয় কর্মীদের এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার পরামর্শও দেওয়া হয়। যদিও বিজেপির বিধায়কদের একাংশের দাবি, বর্তমানে এলাকায় এ বিধি নিয়ে আর কোনো অসন্তোষ নেই। সুলতানপুর সদরের বিধায়ক রাজ প্রসাদ উপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘নির্বাচনের সময় সব ঠিক হয়ে যাবে। মানুষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের আশ্বস্তও করছেন যে তাঁরা বিজেপির পাশেই থাকবেন। কারণ, বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার এমন কোনো কাজ করেনি, যার ভিত্তিতে জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ তোলা যায়।’
‘ইউজিসি’-র নতুন বিধি নিয়ে শুধু বিজেপির রাজনৈতিক মহলেই নয়, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) অন্দরেও আপত্তি উঠেছে। চলতি সপ্তাহে ইন্দৌরে সঙ্ঘের তিন দিনের অখিল ভারতীয় কার্যকারিণী মণ্ডল বৈঠকের আগে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন সংগঠনের জাতীয় প্রচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনীল আম্বেকর। তাঁর বক্তব্য, ‘ইউজিসি’-র বিজ্ঞপ্তিটি যে ভারসাম্যহীন, সে বিষয়ে ‘আরএসএস’ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিষয়টি সরকার ও ‘ইউজিসি’-র নজরেও আনা হয়েছিল। আদালত বিধিগুলির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন। ভবিষ্যতে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক, তা যেন ভারসাম্যপূর্ণ হয়, সে দাবি জানিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে ‘ইউজিসি’-র ‘সমতা বিধি’ এখন কেন্দ্রের কাছে একসঙ্গে আইনি, সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্য প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি যেমন উপেক্ষা করা সম্ভব নয়, তেমনই নতুন বিধির প্রয়োগ নিয়ে সাধারণ শ্রেণির পড়ুয়াদের উদ্বেগও অগ্রাহ্য করতে পারছে না সরকার। তার উপর উত্তরপ্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ভোটব্যাঙ্কের অসন্তোষ বিজেপির নির্বাচনী অঙ্কে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে। কেন্দ্রের প্রস্তাবিত কমিটি শেষ পর্যন্ত বিধির কোন কোন ধারায় পরিবর্তনের সুপারিশ করে, সেটাই এখন দেখার।
❤ Support Us








