Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • নভেম্বর ১, ২০২৫

রাজ্যে এসআইআর আবহে পুরনো জন্ম শংসাপত্র সংগ্রহে পুরসভায় বাড়ছে ভিড়, সহায়তার আশ্বাস মেয়রের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাজ্যে এসআইআর আবহে পুরনো জন্ম শংসাপত্র সংগ্রহে পুরসভায় বাড়ছে ভিড়, সহায়তার আশ্বাস মেয়রের

রাজ্যে এস আই আর হওয়ার কথা ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে নাগরিকত্ব হারাবার আতঙ্ক শুরু হয়েছে। আতঙ্কে কেউ কেউ আত্মহত্যা করছে বলেও তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে। পানিহাটির প্রদীপ করে আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল, বিজেপি সংঘাত শুরু হয়েছে। এই আবহে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, “অনেক মানুষ পুরনো জন্ম শংসাপত্র সংগ্রহ করতে কর্পোরেশন অফিসে আসছেন। আমরা যতটা পারি, সহয়তা করছি। যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, ততদিন রাজ্যে এনআরসি হবে না এবং আমরা কোনও প্রকৃত ভোটারের নাম মুছে যেতে দেব না। আমি আপনাদের এই আশ্বাস দিচ্ছি—ভয় পাবেন না, এটি বাংলা এবং মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা নির্বাচন কমিশনকে একটি বৈধ ভোটারের নামও বাদ দিতে দেব না।”

এর আগে পানিহাটিতে মৃত প্রদীপ করে বাড়ি গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মৃতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে বলেছিলেন, “রাজ্যে যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, তৃণমূল আছে ততদিন রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষা করা হবে। ৪ নভেম্বর থেকে আমি রাস্তায় থাকবো। কেউ ভয় পাবেন না। একটা প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করবে।”

এদিকে তৃণমূলের তরফে রাজ্যের সাধারণ মানুষদের আশ্বাস দেওয়া হলেও বিজেপি এই আস্বাশকে “তৃণমূল ভয় পেয়েছে” বলে সরব হয়েছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন,”আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়েছেন, ভাইপো জেলে যাবেন। তাই ওদের এতো ভয়। সব অনুপ্রবেশকারীকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশী, রোহিঙ্গা কেউ এই দেশে থাকতে পারবে না।”

তবে রাজ্যের শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষ যখন এস আই আর নিয়ে পারস্পরিক বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে, তৃণমূল যখন আতংকিত মানুষদের পাশে দাঁড়াবার আশ্বাস দিচ্ছে তখন নির্বাচন কমিশন আশ্চর্য ভাবে নীরব।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!