Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ২১, ২০২৫

প্রয়াত আজিজুল হক

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রয়াত আজিজুল হক

সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে, সোমবার দুপুরে প্রয়াত হলেন আজিজুল হক। তাঁর প্রয়ানের মধ্যদিয়ে একটি সংগ্রামী চেতনার অবসান হল। থেকে গেল তাঁর অসংখ্য লেখা। যার মধ্যে “কারাগারে ১৮ বছর” উল্লেখযোগ্য। এই বইতে তিনি লিপিবদ্ধ করেছিলেন জেলখানায় বন্দিদের ওপর কতটা শারীরিক, মানসিক অত্যাচার হয় তার এক জ্বলন্ত কাহিনী।
আজিজুল হকে চলে যাওয়া একটা যুগেট অবসান। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক ছিলেন তা নয়। তিনি ছিলেন একজন প্রাবন্ধিক, বহু ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর কলম চলেছে।

আজিজুল হকের জীবনের একটা বড় অংশই জেলে কেটেছে। নানান অভিযোগে তাঁকে জেলবন্দি করা হয়েছিল। তার মধ্যে বিতর্কিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও ছিল। ১৯৭৭ সালে তিনি মুক্তি পান বাম সরকার ক্ষমতায় আসার পর। তবে বাম আমলেই আবার ১৯৮২ সালে তাঁকে ফের গ্রেফতার করা হয়। ১৯৮৬ সালে জেলের মধ্যে তাঁর ওপর নির্মম শারীরিক অত্যাচার হয়। তখন জেলের এই কুকীর্তি প্রকাশ্যে এলে বামফ্রন্ট সরকারের দুই মন্ত্রী দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও যতীন চক্রবর্তী, দুজনই আরএসপি দলের নেতা ও বাম সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, তাঁরা গিয়ে দেখা করেন আজিজুল হকের সঙ্গে। বলেন তাঁর প্যারোলে মুক্তি পাওয়া উচিত।

সক্রিয় রাজনীতি থেকে বহুদিন আজিজুল হক সরে এসেছিলেন। কলকাতায় “ভাষা শহীদ স্মারক সমিতি” প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিভিন্ন সংবাদপত্রে রাজনৈতিক প্রবন্ধ লিখতেন নিয়মিত। চারু মজুমদারের মৃত্যুর পর সিপিআই(এম-এল) -এর দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন কেরছেন তিনি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!