- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ১৩, ২০২৪
সর্বভারতীয়ে ক্ষেত্রে সাফল্যে বাঙালি কন্যার। ডাক পেলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে
অঙ্কই তার ধ্যান জ্ঞান। ছোট থেকেই অঙ্কের মেধা আসাধারণ। এবার স্নাতকোত্তরে সর্বভারতীয় পরীক্ষায় বাঙালি ছাত্রী গার্গী বিশ্বাস পুরস্কৃত হলেন। গার্গীর এই সাফল্যে গর্বিত উত্তর ২৪ পরগনার টাকি। অঙ্কের একটি জটিল তত্ত্বের ওপর সেরা গবেষণা পত্রের জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছেন গার্গী। পিএইচডি করার জন্য ভারতবর্ষ থেকে একমাত্র গার্গী ডাক পেয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সম্প্রতি মাত্র ১২ জন কৃতিকে স্বর্ণপদকে সম্মানিত করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। গার্গী তাদের মধ্যে অন্যতম।
ওড়িষার ভূবনেশ্বরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সংক্ষেপে ‘নাইজার’–র ছাত্রী গার্গীর অঙ্কের একটি জটিল শাখা জিওমেট্রিক গ্রুপ থিওরি নিয়ে পড়াশুনো করেছেন। পঞ্চম বর্ষের শেষে ইজরায়েলের বিজ্ঞানী কাজদান থিয়োরির ওপর তাঁর গবেষণাপত্রটি সেরা বিবেচিত হয়েছে। গার্গী জানান, ‘১৯৬৭ সালে ইজরায়েলি বিজ্ঞানী কাজদান এই গবেষণা করে খ্যাতি পান। জ্যামিতির আকার নিয়ে কাজদান থিওরির একটা অংশ নিয়ে আগামী দিনে আমার গবেষযণার বিষয়।’ পরবর্তী গবেষণার জন্য গার্গী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যলয়ে আবেদন করেন। সেখানে ইন্টারভিউতে সফল হন। সেই সুবাদেই ভারতবর্ষ থেকে একমাত্র তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের খরচে পিএইচডি করার জন্য ডাক পেয়েছেন সরকারি ভাবে। গার্গী জানান, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে ইংল্যান্ড সরকার।
সেপ্টেম্বরের শেষেই গার্গী ইংল্যান্ড পাড়ি দেবে। গার্গীর জন্য গর্বিত টাকির মানুষ। যে স্কুল থেকে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়েছেন টাকির ষষ্ঠীবর লালমাধব গার্লস স্কুল থেকে গার্গীকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। এখান থেকে মাধ্যমিকে উল্লেখযোগ্য ফলের পর বাগবাজার মাল্টিপারপাস থেকে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন। গার্গীর বাবা ডাঃ প্রদীপ বিশ্বাস একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। মরনোত্তর চক্ষুদান আন্দোলন ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত। মা জয়া বিশ্বাস একজন গৃহবধূ। এলাকার নানা সামাজিক কাজে যুক্ত তাঁরা। মেয়ের সাফল্যে গর্বিত হয়ে তাঁরা বলেন, ‘তার মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় এই সাফল্য এনে দিয়েছে। তার মত ভারতবর্ষের আরও মেয়েরা এগিয়ে যাক সাফল্যে সিড়ি বেয়ে বাবা মা হিসেবে এটাই কাম্য।’ ভবিষ্যতে অঙ্ক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যেতে চান গার্গী। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়ায় আরও আশাবাদী হয়েছেন তিনি।
❤ Support Us






