- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- জুন ২৮, ২০২৪
সারা বিশ্বে মাত্র হাজার ! লাল তালিকায় পিগমি প্রজাতির হাতি
বোর্নিওর পিগমি হাতি এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে । কমতে কমতে তাদের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ হাজারে। জীব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন করা হচ্ছে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পাম তেল ব্যবসার অগ্রগতির জন্য বহু বনাঞ্চল কেটে ফেলা হয়েছে। ক্রমাগত জঙ্গল ধ্বংসের জন্য এই প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার’ (IUCN) বিলুপ্ত প্রায় প্রাণীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে , সেখানে বিলুপ্ত প্রাণীদের ‘লাল তালিকা’য় (RED LIST) পিগমি হাতির নাম উল্লেখ আছে। ১৯৮৬ সাল থেকে, এশিয়ান হাতিটিকে আইইউসিএন রেড লিস্টে ‘বিপন্ন’ রূপে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ।
এই হাতি তার নিকটতম আত্মীয় এশিয়ান প্রজাতির হস্তি সমুদায়ের থেকে উচ্চতায় তিন ফুট কম। আফ্রিকার হস্তি সম্প্রদায় বিশ্বের সবথেকে বৃহদাকার প্রজাতি। এদের স্বভাব আবার এশিয়ান হাতিদের বিপরীত। অনুমান করা হয় , বোর্নিও পিগমি হাতির প্রকৃত আবাস্থল ছিল না। জাভার রাজা, সুলু প্রদেশের রাজাকে এই পিগমি প্রজাতির দুটি হাতি উপহারস্বরূপ প্রদান করেন। সম্ভবত এই দুই হাতিই বর্তমান পিগমি হাতির ‘পূর্বপুরুষ’।তবে এর কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ সেভাবে পাওয়া যায় না । কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী বেনুইত গোসেন অবশ্য জানিয়েছেন এই পরিস্থিতিতে যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাহলে বোর্নিওর পিগমি হাতিকে বাঁচানো সম্ভব। সাধারণত স্বভাবে খুব শান্ত ও আদুরে স্বভাবের এই হাতি সহজেই পোষ মানে । জীব বিজ্ঞানীদের তরফে বোর্নিও প্রশাসনকে আবেদন জানানো হয়েছে যে, সরকারি উদ্যোগে এই পিগমি হাতি সংরক্ষণের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করলে এই প্রজাতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
❤ Support Us






