শিবভোলার দেশ শিবখোলা
শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।
আলিবাবার গুপ্ত খাজানা ! নার্নিয়া থেকে অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড, গুপ্ত কপাট উন্মুক্ত করেই পাঠকের সামনে হাজির হয় কলভুবন । সেইরকমই এক বর্ণিল দুনিয়ার দুয়ার দর্শকদের সামনে উন্মোচিত হতে চলেছে লন্ডনের চেন্সারি লেনে । তবে তা মাটির উপরে নয় । গভীর সুড়ঙ্গে ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে । ১৯৪০ থেকে ১৯৪২ । মহুর্মূহু নাৎজি বোমারু বিমানের রণহুঙ্কারে তটস্থ টেমসের সমতট । মাত্র আঠেরো মাসে ব্রিটেনের রাজধানীর ১০০ ফুট গভীরে তৈরি হল একের পর এক সুড়ঙ্গ । বোমার হাতে থেকে বাঁচার মতো নিছক মাথা গোজার ঠাই নয় । ১২০০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং প্রায় ১৭ ফুট চওড়া দুটি সমান্তরাল রাস্তা । যা লন্ডন শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত পাতালরেলের ঠিক নীচে অবস্থিত
(1/6)
আটটি প্রসস্থ সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিল তৎকালীন বৃটিশ প্রশাসন । কিন্তু শেষ পর্যন্ত হিটলার বাহিনীর রোষচোক্ষু ততদিনে লন্ডন থেকে সরে রাশিয়ায় নিবদ্ধ হয়েছে । ফলে মেট্রোলাইনের সঙ্গে সংযোগকারী এই গোপন পথ শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়ে যায় ।
(2/6)
জগতখ্যাত কল্পবিশ্বের চরিত্র জেমসবন্ড থেকে মিশন ইমপসিবেল সিক্সেও এই গুপ্ত সুড়ঙ্গের প্রসঙ্গে এসেছে বারবার । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ঠান্ডা লড়াইয়ের স্নায়ুযুদ্ধে আরও একবার চেন্সারি লেনের গোপন সুড়ঙ্গ উঠে এলো সংবাদ শিরোনামে । জেমসবন্ড থ্রিলারের রচয়িতা ইয়ান ফ্লেমিং তখন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর লিয়াজো আধিকারিক । সেই সময়ই ব্রিটেনের গুপ্তবাহিনীর কাজে ব্যবহার হয় ওইসব পরিতক্ত সুড়ঙ্গ ।
(3/6)
এর ভেতরে সেই সময়ের কিংসওয়ে টেলিফোন এক্সচেঞ্জের গোপন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল । বিশ্বের তাবৎ রাষ্ট্রনেতার অনেক গোপন কথপোকথনের স্মৃতি রয়েছে এ সুড়ঙ্গে ।
(4/6)
১৯৮০র শেষ লগ্নে সুড়ঙ্গগুলিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয় বৃটিশ টেলিকম সংস্থা । টেলি যোগাযোগের পাশাপাশি, বিশ্বের গভীরতম সুরাখানার ঠিকানা হয় সেটি । যদিও সেই পানশালা এবং খেলাঘরে শুধুমাত্র বৃটিশ সরকারের আধিকারিকরাই প্রবেশ করতে পারতেন । কিন্তু ২০ শতকের শেষে, প্রযুক্তির ঘূর্ণিয়মান চাকায় তাও স্তব্ধ বয়ে যায় । তারপর আর চেন্সারি লেনের সেই গোপন দুয়ার আর কেউ খোলেননি ।
(5/6)
এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের লড়াইয়ের স্মৃতি ধরে রাখতেই সেখানে একটি যাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা নিল বৃটিশ সেনা বাহিনী । বিশাল এই নান্দনিক কর্মযজ্ঞের অন্যতম রূপকার স্থাপত্যবিদ উইলিকসন অ্যারি । তৈরি হচ্ছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্বলিত অত্যাধুনিক প্রদর্শশালা । থাকবে ডিজিটাল প্রদর্শনীর ব্যবস্থা । সংস্কার হবে পানশালারও । ২০২৮ সালের প্রথম পর্বেই তা পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে । উদ্যোক্তাদের আশা ফি বছর গুপ্ত দুয়ারের পেছনের এই কল্পবিশ্বকে দেখতে অন্তত ত্রিশ লক্ষ দর্শক বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এখানে আসবেন ।
(6/6)
শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।
সৌরেনির উঁচু শিখর থেকে এক দিকে কার্শিয়াং আর উত্তরবঙ্গের সমতল দেখা যায়। অন্য প্রান্তে মাথা তুলে থাকে নেপালের শৈলমালা, বিশেষ করে অন্তুদারার পরিচিত চূড়া দেখা যায়।
মিরিক নামটি এসেছে লেপচা ভাষার “মির-ইওক” শব্দ থেকে, যার অর্থ আগুনে পুড়ে যাওয়া জায়গা।
15:34