Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • নভেম্বর ২৯, ২০২৩

‌চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নক আউটে বার্সিলোনা, বরুসিয়া, আশা বাঁচিয়ে রাখল পিএসজি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‌চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নক আউটে বার্সিলোনা, বরুসিয়া, আশা বাঁচিয়ে রাখল পিএসজি

ঘরের মাঠে পোর্তোর বিরুদ্ধে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউটে পৌঁছে যেত বার্সিলোনা। কিন্তু প্রথমে পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল। চাপ সামলে পরে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিল জাভি হার্নান্ডেজের দল। শেষ পর্যন্ত পোর্তোকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউটের টিকিট নিশ্চিত করল বার্সিলোনা। এসি মিলানকে হারিয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডও। অন্যদিকে, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে ঘরের মাঠে ড্র করে নক আউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল পিএসজি।
পোর্তোর বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে বার্সিলোনার শুরু থেকেই দাপট ছিল। ৮ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। বরং আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে ৩০ মিনিটে গোল করে পোর্তোকে এগিয়ে দেন পেপে আকিনো। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সিলোনা। ২ মিনিটের মধ্যেই দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান জোয়ান ক্যানসেলো। বিরতিতে খেলার ফল ছিল ১–১।
জয়ের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সিলোনা। শুরুতেই বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোয়াও ফেলিক্সের দুর্দান্ত শট বারে লেগে বাইরে বেরিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে পোর্তোর লক্ষ্য ছিল লম্বা পাসে প্রতিআক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেওয়া। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা কাজে লাগেনি। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ক্যানসেলোর পাস থেকে গোল করে বার্সিলোনাকে নক আউটের ছাড়পত্র এনে দেন জোয়াও ফেলিক্স।
এদিকে, ঘরের মাঠে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে হারতে হারতে কোনও রকমে বেঁচে গেল পিএসজি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে কিলিয়ান এমবাপ্পের ‘বিতর্কিত’ পেনাল্টি গোলে নক আউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল। ঘরের মাঠে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় পিএসজি। নিউক্যাসলও পিছিয়ে ছিল না। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। ম্যাচের ৯ মিনিটে পিএসজি–কে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ এসেছিল এমবাপের সামনে। কিন্তু গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন।
২৪ মিনিটে এগিয়ে যায় নিউক্যাসল। আলমিরনের শট আংশিক প্রতিহত করেন পিএসজি গোলকিপার গিয়ানলুইগি ডোন্নারুম্মা। ফিরতি বল জালে পাঠান আলেক্সজান্ডার ইসাক। সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পিএসজি। গোলের সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে নিউক্যাসল। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি পিএসজি। বিরতির পর মরণবাঁচন লড়াইয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে পিএসজি। ডেম্বেলে, এমবাপেরা চেষ্টা করেন দলকে ম্যাচে ফেরানোর। অবশেষে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান এমবাপে। যদিও এই পেনাল্টি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
অন্যম্যাচে, এসি মিলানকে ৩–১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। আর লাইপজিগের বিরুদ্ধে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। শেষ পর্যন্ত ৩–২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ডের ক্লাবটি। ৫৪ মিনিটে সিটির হয়ে প্রথম গোলটি করেন আর্লিং হালান্ড। সবচেয়ে কমবয়সী ফুটবলার হিসেবে ৪০ গোল করার নজির গড়েছেন তিনি। ৭০ মিনিটে ফিল ফোডেন সমতা ফেরান। আর সিটির হয়ে ৮৭ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন আর্জেন্টাইন তারকা হুলিয়ান আলভারেজ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!