Advertisement
  • পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
  • জুলাই ১৯, ২০২৬

গণতন্ত্রের অশুভ সংকেত

প্রদীপ দত্তরায়
গণতন্ত্রের অশুভ সংকেত

ইদানিং সংবাদপত্রের প্রতি পাঠকদের অনীহা ক্রমশ বাড়ছে। গণতন্ত্রের পক্ষে এটা অত্যন্ত অশুভ লক্ষণ। দুশ্চিন্তারও বিষয়। বলা হয়, সংবাদ মাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। বাকি তিন স্তম্ভ আইনসভা, প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থা। এই তিন স্তম্ভের কোনো গাফিলতি বা দোষ ত্রুটি থাকলে তা জনসমক্ষে তুলে ধরে সংবাদপত্র। কাজেই সংবাদপত্রের ভূমিকা যদি দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিলকুল স্বস্তিদায়ক নয়। এক কথায়, গণতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের জন্য সংবাদপত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক। পরিবর্তিত সময়ে সংবাদপত্রের প্রতি পাঠকদের নানা কারণে অনীহা দেখা যাচ্ছে। একশ্রেণীর মানুষ বাড়িতে সংবাদপত্র রাখেন নিজেদের পরিবারের কৌলিন্য বোঝানোর জন্য। আরেক শ্রেণীর পাঠক শুধু সংবাদপত্রের হেডলাইন পড়েই ছেড়ে দেন। অন্য একশ্রেণীর পাঠক এখনো আদ্যোপান্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সংবাদপত্র পড়েন এবং যে সব ভুল ভ্রান্তি তাঁদের চোখে পড়ে, তা ধরিয়ে দেন কর্তৃপক্ষকে। বিশেষ করে যাঁরা প্রবীণ তাঁরা এখনো সকালে চায়ের টেবিলে সংবাদপত্র না দেখলে স্বস্তিবোধ করেন না।  তাঁদের দিন শুরুই হয় সংবাদপত্র পাঠের মধ্য দিয়ে। নতুন প্রজন্মের চিন্তাধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের কাছে সংবাদপত্র পড়ার মতো সময় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রেখেই তাঁরা তাঁদের দৈনন্দিন জীবন শুরু করে।

সংবাদপত্রের প্রচার ও প্রসার একটু একটু করে কমতে শুরু করলেও এখনো গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র অপরিহার্য। কারণ, লোকসভা বা বিধানসভায় যেকোনো বিষয়ে উত্থাপনের সময় সংবাদপত্রের কাটিং উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো বিষয়, এক্ষেত্রে তথ্য হিসাবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই। এদিক থেকে, সংবাদপত্র সম্পর্কে পাঠকের অনীহা সৃষ্টি হলেও, সংবাদপত্র তার নিজের মর্যাদা একটুকুও হারায়নি। জনসাধারণের অভাব অভিযোগ, সমাজে অন্যায় অপরাধ ইত্যাদি সংবাদপত্রের মাধ্যমেই মানুষ জানতে পারেন। সেজন্য আমজনতার কাছে এখনো ভরসার স্থল সংবাদপত্র।

দুশ্চিন্তার বিষয়, বরাক উপত্যকায় একের পর এক সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেবল সাপ্তাহিক বা অর্ধ সাপ্তাহিক নয়, দৈনিক পত্রিকাও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম নয়। ‘দৈনিক সোনার কাছাড়’ বন্ধ হওয়ার পর, উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রথম বাংলা সংবাদপত্র ‘দৈনিক প্রান্তজ্যোতি’ বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক গতি পত্রিকাও বন্ধ হয়ে গেল ১ জুলাই, ২৬ থেকে। এভাবে একের পর এক প্রিন্ট মিডিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক সঙ্কটের আরেক লক্ষণ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, যাঁদের জীবিকা সাংবাদিকতা এবং যাঁরা সংবাদ পত্র প্রকাশনার সঙ্গে নানা ভাবে যুক্ত।  এতে লেখক, কবি, সাহিত্যিক দের লেখালিখির সীমা যেমন সীমিত হতে থাকবে, তেমনি পাঠকরাও বঞ্চিত হবেন। বহু পত্রিকার আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। কোনো কোনো সংবাদপত্র কর্মী সংকোচন করে অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যে উপত্যকায় সংবাদপত্র একসময় বিরাট ভূমিকা পালন করেছিল, সেগুলি যদি অস্তিত্বের সংকটে পড়ে, তাহলে এর পিছনে কারণ কি তা পর্যালোচনা করে দেখা প্রয়োজন। স্বাধীনতার পর বরাক উপত্যকা থেকে অনেক বলিষ্ঠ সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। আকারে ক্ষুদ্র হলেও, সংবাদপত্রগুলোর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের ভাবনা বাদ দিয়ে জনসেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতেন। পরিবার প্রতি পালনের জন্য তাদের অন্য কাজও করতে হতো। সংঘাতমুখর পরিস্থিতির মধ্যেও সংবাদপত্র পাঠক সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে জনহিতকর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হতো। অনেক ক্ষেত্রে সংবাদপত্র প্রকাশের আয় এবং খরচে ব্যপক ব্যবধান থেকে যেত। তথাপি সংবাদপত্র দমেনি। কিন্তু এখন সংবাদপত্রের ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। সামাল দিতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান হিমশিম খাচ্ছে।

সামাজিক অবক্ষয় সব বিষয়ে তথ্য পেতে আগ্রহী। সংবাদপত্র বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে পাঠকের চাহিদা পূরণের নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে একথা অস্বীকার করা অন্যায়। কিন্তু শাসকের চাপে পড়ে, রাজনৈতিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের ক্ষেত্রে যে মনোভাব গ্রহণ করেছে, করতে বাধ্য হচ্ছে অনেক পাঠকেরই তা পছন্দ নয়

সংবাদপত্রের  দুঃসময় ঘনিয়ে আসার প্রধান কারণ, করোনা মহামারির সময় থেকে সরকার দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন সীমিত করেছে । এ কারণে সংবাদপত্র প্রকাশের খরচ এবং বিক্রির মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থের মধ্যে বিশাল ব্যবধান বাড়ছে। মাস, বছর,  ছয় মাসে যেসব সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ পায়, সেগুলোতে বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। সাময়িকী প্রকাশের ক্ষমতা ক্ষীণ বলেই বিশেষ করে, নব্য কবি ও সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বহু সাময়ীকি প্রকাশনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। এজন্য সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সমাজ সচেতক লেখা প্রকাশের সুযোগ ক্রমশ কমে আসছে। লোকসানের বোঝা বহন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দীর্ঘদিন প্রকাশনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সরকারি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন নীতিতেও যথেষ্ট পরিবর্তনে এসেছে। বাণিজ্যিক সংস্থাগুলো এখন ইলেকট্রনিক প্রচার মাধ্যমকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে মুদ্রিত মাধ্যম।

সমাজের সামগ্রিক স্বার্থে ছাপা সংবাদ মাধ্যম ও সাহিত্য সাময়িকী গুলোকে টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন। কিন্তু এই পথে কঠিন কাঁটা পড়ছে। সমাজের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা সামাজিক যে সব বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন, তাঁদের সে লেখা প্রকাশের পরিসর যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে তা সমাজের পক্ষে খুবই উদ্বেগের বিষয়। গুণীজনদের চিন্তাধারা সমাজকে সুপথে চালিত করে। তাঁদের লেখালিখি সমাজকে পথ দেখায়। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তৎকালীন জননেতারা কলম ধরেছিলেন, তাই সাধারণের মধ্যে স্বাধীনতা চেতনা দ্রুত বেড়ে ওঠে। স্বাধীনতা উত্তর ভারতে সংবাদপত্র বা সাময়িকির ভূমিকা অনেকটা বদলে গেছে। তবু কিছু সংখ্যই পত্র-পত্রিকায়  মানুষের চিন্তায় প্রভাব ফেলার মতো মতামত প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু, ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশের সুবিধা যদি সংকীর্ণ হয়ে আসে, তাহলে গণতন্ত্রের সুস্বাস্থ্য রক্ষার উপর নজরদারি  করবে কে?

সংবাদপত্রের প্রচার সংখ্যা ক্রমাগত নানা কারণে কমছে। এর একটি কারণ, কেবলমাত্র সরকারের কাজকর্মের গুণ কীর্তন। পাঠক এসব সংবাদের পাশাপাশি সরকারের যেসব প্রকল্পের কাজ হয়নি বা প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে, সে খবরও জানতে চান। দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা যুক্ত, কীভাবে যুক্ত, এসব অন্তর তদন্তমূলক প্রতিবেদন দেখতে চান। দুর্ভাগ্যের বিষয়, এ ধরনের  তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সে পত্রিকার উপর বিজ্ঞাপন বন্ধের খাঁড়া নেমে আসে। এ বাস্তবতা অনেকেই জানেন না। পাঠকদের চাহিদা ইচ্ছে থাকলেও পূরণ করা সংবাদ প্রতিষ্ঠান পক্ষে সম্ভব নয়। সর্বত্র সহনশীলতার খুবই অভাব দেখা যাচ্ছে। শাসক কোনো ধরনের সমালোচনা শুনতে রাজি নয়। শাসক পক্ষের দাবি সংবাদপত্র তাঁদের তাবেদারিতেই মগ্ন থাক। এই মনোভাব সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানকে গুরুতর সমস্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আগে এত অসহিষ্ণু পরিস্থিতি ছিল না। সংবাদপত্র অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করত। সরকারের অনেক ভুল ত্রুটি সংবাদপত্র আঙুল তুলে দেখিয়ে দিত। সংবাদপত্রের সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার তাদের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার সুযোগও পেয়েছে। একসময় কার্টুনিস্ট কুট্টি তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নানান কর্মকাণ্ড নিয়ে কার্টুন আঁকতেন। ইন্দিরা গান্ধী স্বয়ং কুট্টির কার্টুন সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন। এ ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয়, সে সময় সামাজিক পরিস্থিতি কেমন ছিল। যদিও ‘জরুরি অবস্থা’র জন্য ইন্দিরা গান্ধীর ব্যাপক বদনাম, তবু বলতে হবে, তাঁর মধ্যে সহনশীলতার সংস্কৃতি ছিল। এই সময়ে এ ধরনের আংশিক সহনশীলতারও প্রকট অভাব লক্ষ্য করছি আমরা।

পাঠক যেহেতু গ্যাঁটের পয়সা খরচ করে সংবাদপত্র কেনেন, কাজেই সংবাদপত্রের কাছে তাদের কিছু কিছু চাহিদা থাকতেই পারে। প্রকারান্তরে এ চাহিদা কীভাবে মেটানো সম্ভব, এর পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি। পাঠকরা  বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত, তাদের কর্মকাণ্ড, গার্হস্থ্য অপরাধ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র,  সামাজিক অবক্ষয় সব বিষয়ে তথ্য পেতে আগ্রহী। সংবাদপত্র বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে পাঠকের চাহিদা পূরণের নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে একথা অস্বীকার করা অন্যায়। কিন্তু শাসকের চাপে পড়ে, রাজনৈতিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের ক্ষেত্রে যে মনোভাব গ্রহণ করেছে, করতে বাধ্য হচ্ছে অনেক পাঠকেরই তা পছন্দ নয়। এজন্য পাঠককুল ধীরে ধীরে সংবাদপত্রের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হেডলাইনগুলো পড়ে কোথায় কে কী করছে, তা জেনে নেবার চেষ্টা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব তথ্য পরিবেশিত হয় তা যাচাই করা সম্ভব নয়। অনেক সময় অতিরঞ্জিত ঘটনা বা ‘ফেক ভিডিও’ তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাধারণ মানুষের পক্ষে এসব সত্য মিথ্যা নিরূপণ করা খুবই কঠিন। একমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার গল্প গুলোকে সংবাদপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই পাঠক জানতে পারবেন কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা কিংবা অতিরঞ্জিত। এজন্যই সংবাদপত্রকে অবজ্ঞার চোখে দেখার কোন সুযোগ নেই। মননশীল পাঠক এখনো সংবাদপত্রের উপর ভরসা রাখেন । তবে নব প্রজন্মের পাঠক মুদ্রিত মাধ্যমের বদলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের প্রতি বেশি, অতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। মুঠো ফোনের মাধ্যমে তারা দৈনন্দিন খবরের সারাংশটুকু জেনে নিয়ে সন্তুষ্ট !

ভারত যেহেতু কল্যাণকামী রাষ্ট্র। সংবাদ মাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব তাই সরকারের। কারণ, ভারতে যে সরকার প্রতিষ্ঠা হয় তার প্রাথমিক দায়িত্বই  জনসেবা। গণতন্ত্রের ভিতকে মজবুত করে রাখার জন্য, সংবাদ মাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারের বিজ্ঞাপন নীতিকে সহজ করে তোলা আবশ্যক। কোনো সংবাদপত্র বিরুদ্ধ মতামত পোষণ করতেই পারে। তা বলে, তাদের অচ্ছুত করে রাখলে তা সমাজের, দেশের সার্বিক কল্যাণে সহায়ক হতে পারে না। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যাতে ক্ষুণ্ণ না হয়, তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব সরকারের। সরকারের ভুল কাজের যদি সমালোচনা হয়, তাহলে সব দিক খতিয়ে, তথ্য প্রমাণ জোগাড় করে ভুল সংশোধনের পদক্ষেপ  সরকার নিতে পারে, নিতেই পারে। বিরোধীরা কোন ধরনের মনোভাব পোষণ করে চলছেন, সেগুলোও সংবাদপত্রের মাধ্যমেই সরকারের নজরে আসা সম্ভব। এখনকার কঠিন পরিস্থিতিতে, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সংবাদপত্রগুলিকেও তাদের প্রচার কৌশল কিছুটা বদলাতে হবে, যাতে তাঁরা দ্রুত প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঠকের কাছে তাঁদের সামগ্রী নিয়ে পৌঁছে যেতে পারেন। বেসরকারি বিজ্ঞাপন সংগ্রহের জন্য সংবাদপত্রকে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী ভোক্তাদের হাতে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের বিজ্ঞাপনের সাহায্য নিযতে হয়। কেবল বৈদ্যুতিন প্রচার মাধ্যমেই নয়, ছাপা মাধ্যমেও যাতে তাঁদের সে প্রচার অব্যাহত থাকে, সেজন্য সংবাদপত্র গুলিকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে তাদের বিজ্ঞাপন নীতি ঠিক করতে হবে। পাঠকের মনে কৌতূহল সৃষ্টি হয় এমন ধরনের সংবাদ এ অধিক মনোনিবেশ করতে হবে। ইলেকট্রনিক প্রচার মাধ্যমের ভুলভাল সংবাদগুলির বদলে যে কোনো ঘটনার প্রকৃতি ও প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে পাঠকদের চাহিদা পূরণ করা একমাত্র সংবাদপত্রের পক্ষেই সম্ভব ।

♦–♦•♦–♦♦–♦•♦–♦♦–♦•♦–♦

লেখক প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!