Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • জানুয়ারি ৯, ২০২৬

শাহের দফতরের সামনে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না, চ্যাংদোলা করে সরাল দিল্লি পুলিশ । সাংসদদের উপর ‘হামলা’ ও এজেন্সির ‘অপব্যবহার’-এর বিরুদ্ধে সরব অভিষেক

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শাহের দফতরের সামনে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না, চ্যাংদোলা করে সরাল দিল্লি পুলিশ । সাংসদদের উপর ‘হামলা’ ও এজেন্সির ‘অপব্যবহার’-এর বিরুদ্ধে সরব অভিষেক

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডির হানার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে ধর্নায় বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ। অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই তৃণমূলের নির্বাচনী তথ্য হাতাতে ইডি এই অভিযান চালিয়েছে। তবে ধর্না শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি পুলিশ সেখানে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শেষে তৃণমূল সাংসদদের চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সূত্রের খবর, সকাল প্রায় ৮টা নাগাদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে ধর্নায় বসেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডল ও শর্মিলা সরকার । তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার—যেখানে লেখা ছিল, ‘যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা’ এবং ‘অমিত শাহ ও ইডি বনাম বাংলার মানুষ’।

তৃণমূলের অভিযোগ, ধর্না শুরুর আধ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি পুলিশের একটি বড় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংসদদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে সেই নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেন তাঁরা। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, এরপর আচমকাই পুলিশ সাংসদদের টেনে সরানোর চেষ্টা করে, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। সেই সময় পড়ে যান ডেরেক ও’ব্রায়েন ও বাপি হালদার। পরে তাঁদেরসহ অন্য সাংসদদের চ্যাংদোলা ও পাঁজাকোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মোট ৮ জন তৃণমূল সাংসদকে আটক করে পার্লামেন্টারি স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দিল্লি পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদরা।

এদিকে, আইপ্যাকের দপ্তরে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে শুক্রবার পথে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করার কথা রয়েছে তাঁর। এই মিছিলে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা যোগ দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, বিকেল ৪টে থেকে রাজ্যের প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিবাদ মিছিলের নির্দেশও দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

শুক্রবার দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের উপর দিল্লি পুলিশের আচরণে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন অভিষেক । সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি লেখেন, “আজ গণতন্ত্র তিরস্কৃত, অপরাধীরা পুরস্কৃত। এজেন্সিগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, আর নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের জেলে পাঠানো হচ্ছে, আর ধর্ষকদের জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটাই বিজেপির নতুন ভারত।”

বিজেপিকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক আরও বলেন, “যদি গোটা দেশ আত্মসমর্পণ করে, তবুও বাংলা রুখে দাঁড়াবে। আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ব এবং তোমাদের হারাব। যতই শক্তি প্রয়োগ করো।”

আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি হানার বিরোধিতায় আগেই সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশেই দল রাজ্যজুড়ে নানা কর্মসূচি নিয়েছে ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!