Advertisement
  • এই মুহূর্তে বি। দে । শ
  • জানুয়ারি ১১, ২০২৫

প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শাস্তি ডোনাল্ড ট্রাম্পের, পেলেন ‘‌শর্তহীন মুক্তি’‌, জেল–জরিমানা নয়

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শাস্তি ডোনাল্ড ট্রাম্পের, পেলেন ‘‌শর্তহীন মুক্তি’‌, জেল–জরিমানা নয়

আর মাত্র ৯ দিন পরি দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসবেন। তার আগেই শাস্তির মুখে পড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত এক মামলায় এক মার্কিন আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাজা পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শাস্তি হিসেবে ‘শর্তহীন মুক্তি’ পেলেন ট্রাম্প।
শাস্তি পেলেও ট্রাম্পকে অবশ জেলে যেতে হচ্ছে না। শর্তহীন মুক্তি হলেও এমন একটি শাস্তি, যেখানে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারকের রায় বহাল থাকবে। তবে তাঁর ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে না। কারণ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং ২০ জানুয়ারি দেশের সর্বোচ্চ পদে শপথ নেবেন। এটা এমনই পদ, যা আইনের ঊর্ধ্বে থাকার দায়মুক্তি নিয়ে আসে। মার্কিন পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে হিসাব বহির্ভূতভাবে অর্থপ্রদান গোপন করার জন্য শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে ট্রাম্পকে। তবে তাঁকে নিঃশর্ত সাজা দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওই মামলায় বলা হয়েছিল, প্রাক্তন পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক হয়েছিল ট্রাম্পের। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এই সম্পর্কের কথা গোপন রাখার জন্য স্টর্মিকে ঘুষ দিয়েছিলেন তিনি। ঘুষের তথ্য আবার নিজের ব্যবসায়িক নথিপত্রে উল্লেখ করেননি ট্রাম্প। এই মামলায় গত বছরের মে মাসে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণ হওয়ায় জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে রেহাই দিতে হয় বিচারককে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি প্রেসিডেন্ট না হতেন, তাহলে ৪ বছরের জন্য জেলে যেতে হত। পরিবর্তে তিনি এখন আরও ৪ বছেরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসবেন। এমনকি আদালতের শুনানিতে ব্যক্তিগতভাবেও উপস্থিত হননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ, তিনি ভালভাবেই জেনে গিয়েছিলেন যে, তাঁকে কারাগারে পাঠানো হবে না।
নিউইয়র্কের বিচারক জুয়ান মার্চান সাজা ঘোষণা করে বলেন, ‘‌এই আদালত স্থির করেছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিঃশর্ত ডিসচার্জ দেওয়া হবে। এর আগে কখনও এই আদালতে এমন অনন্য এবং অসাধারণ পরিস্থিতি উপস্থাপন করা হয়নি।’‌ সংবিধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কার্যালয়কে সুরক্ষা দেওয়ায়, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে নিঃশর্ত ডিসচার্জ দেওয়া ছাড়া বিচারকের জন্য আর কোনও বিকল্প ছিল না। অন্য কোনও রায় দেশের সর্বোচ্চ পদে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির অনাক্রম্যতা লঙ্ঘন করার ঝুঁকি ছিল।
ঘুষের মামলায় ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছিল তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি। তাঁর আইনজীবীও সাজা ঘোষণা স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে গত মঙ্গলবার তা খারিজ করে দেন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সহযোগী বিচারপতি এলেন জেসমার। ট্রাম্প বারবার দাবি করে এসেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!