- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুলাই ১৯, ২০২৪
পুলিশ এসি–কে ৬–০ ব্যবধানে উড়িয়ে লিগের শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল
পরপর তিন ম্যাচে জয়ের পর আটকে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আবার জয়ে ফিরল লাল–হলুদ ব্রিগেড। পুলিশ এসি–কে উড়িয়ে দিল ৬–০ ব্যবধানে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দুটি গোল করেন জেসিন টিকে। একটা করে গোল করেন সায়ন ব্যানার্জি, পিভি বিষ্ণু, শ্যামল বেসরা। পুলিশ এসি–কে হারিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে গ্রুপ বি–তে শীর্ষস্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল।
বৃষ্টিভেজা মাঠে দারুণ শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। ১৬ মিনিটে বাঁদিক থেকে দারুণ সেন্টার করেছিলেন সায়ন ব্যানার্জি। কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান পুলিশ এসি–র এক ডিফেন্ডার। ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। বাঁদিক থেকে উঠে এসে গড়ানো সেন্টার করেছিলেন সায়ন ব্যানার্জি। পুলিশ এসি–র এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলকিপার শুভঙ্করকে বোকা বানিয়ে গোলে ঢুকে যায়। ২২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। সায়নের মাইনাস পুলিশ বক্সে সুবিধজনক জায়গায় পেয়েও জালে রাখতে পারেননি জেসিন টিকে। ২৩ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের জালে বল পাঠিয়েছিলেন অভিজিৎ। হ্যান্ডবলের জন্য গোল বাতিল হয়।
একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে পুলিশ এসি–কে চাপে রাখছিল ইস্টবেঙ্গল। ২৮ মিনিটে হীরা মণ্ডল ডানপায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন। ঝাঁপিয়ে বাঁচান পুলিশ গোলকিপার শুভঙ্কর। বৃষ্টিভেজা মাঠের কথা মাথায় রেখে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা দুর থেকে বারবার পুলিশ এসি গোল লক্ষ্য করে শট নিচ্ছিলেন। কিন্তু গোল আসছিল না। অবশেষে ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত থ্রু বাড়িয়েছিলেন তন্ময় দাস। সেই থ্রু ধরে ছোট টার্নে পুলিশ ডিফেন্সকে উন্মুক্ত করে বাঁ পায়ের পুশে ২–০ করেন পিভি বিষ্ণু। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ৩–০ হতে পারত। জেসিন টিকে–র দুর্দান্ত শট কোনও রকমে বাঁচান পুলিশ গোলকিপার। প্রথমার্ধে খেলার ফল ছিল ২–০।
দ্বিতীয়ার্ধেও ইস্টবেঙ্গলের দাপট অব্যাহত ছিল। জেসিন টিকে, পিভি বিষ্ণুরা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন শ্যামল বেসরা। জেসিন টিকে–র দুর্দান্ত পাস থেকে ৩–০ করেন শ্যামল বেসরা। মিনিট দুয়েকের মধ্যে ব্যবধান বাড়ান জেসিন টিকে। ৭২ মিনিটে জেসিনের গোলেই ৫–০। মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস ধরে এগিয়ে গিয়ে সায়ন ব্যানার্জি বাঁদিক থেকে বক্সের মধ্যে বল বাড়ান। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে অসুবিধা হয়নি জেসিন টিকে–র। ৮৩ মিনিটে জেসিন–আমনের যুগলবন্দীতে ৬–০। বাঁদিক থেকে বল নিয়ে উঠে গিয়ে বাইলাইনে পৌঁছে মাইনাস করেন জেসিন। পেছন থেকে উঠে এসে জালে বল জড়িয়ে দেন আমন। ম্যাচের বাকি সময় আধিপত্য থাকলেও আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি।
❤ Support Us






