- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- মার্চ ২৪, ২০২৬
মহমেডানের বিরুদ্ধে ৭ গোলে ইস্টবেঙ্গলের, নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে তিনটি পেনাল্টি
মহমেডান ক্লাবের সেই আগের ঐতিহ্য আর নেই। চলতি আইএসএলে আরও করুণ অবস্থা। এখনও পর্যন্ত জয় নেই। পয়েন্ট তালিকায় সবার শেষে। ইতিমধ্যেই মাথার ওপর অবনমনের খাঁড়া ঝুলছে। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগাল লাল–হলুদ ব্রিগেড। একপেশে ম্যাচে মহমেডানকে ৭–০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল অস্কার ফার্নান্ডেজের দল। নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে পেনাল্টির হ্যাটট্রিক, সঙ্গে লালকার্ড।
এবছর দারুণভাবে আইএসএল শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম দু’ম্যাচে জয়ের পর ছন্দপতন। টানা তিন ম্যাচে জয়হীন। দুটি ড্র একটা হার। আগের ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ড্রয়ের পর ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি উঠেছিল ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোর বিরুদ্ধে। তাঁর বিদায়ের ঘণ্টাও প্রায় বেজে গিয়েছিল। এদিন মহমেডানের বিরুদ্ধে জয় না এলে হয়তো চাকরি যেত অস্কারের। বাঁচিয়ে দিলেন ফুটবলাররা। মহমেডানের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয় একদিকে যেমন অক্সিজেন দেবে লাল–হলুদ ব্রিগেডকে, তেমনই রসদ পেলেন অস্কার ব্রুজোও।
ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের বন্যায় মেতে ওঠেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। ৬ মিনিটে সবাইকে চমকে দিয়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া গড়ানো শটে গোল করেন আনোয়ার আলি। এই গোলের ক্ষেত্রে কিছুটা দায়ী করা যেতে পারে মহমেডান গোলকিপার পদম ছেত্রিকে। শুধু এই গোলের ক্ষেত্রেই নয়, তাঁর ভুলের জন্যই বড় ব্যবধানে হার মহমেডানের। প্রথমার্ধে আরও দুটি গোল। দুটোই পেনাল্টি থেকে। ১২ মিনিটে মিগেলকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেন সাজাদ হুসেন। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ইউসুফ ইজেজারি। ৩৮ মিনিটে আবার পেনাল্টি। এবার গোলের খাতায় নাম লেখালেন সল ক্রেসপো। লাল–কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জোসেফ। ১০ জন হয়ে যায় মহমেডান।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও দাপট ইস্টবেঙ্গলের। ৫৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে মিগেলকে ফাউল করেন মহমেডান গোলকিপার। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল ইউসেফের। চলতি আইএসএলে ৭ গোল করে স্পর্শ করলেন জেমি ম্যাকলারেনকে। এরপর এক সঙ্গে তিনটি পরিবর্তন করেন অস্কার ব্রুজো। ক্রেসপো, বিপিন ও ইউসুফকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান সৌভিক, নন্দকুমার ও ডেভিডকে। ৭৫ মিনিটে ৫–০ করেন পিভি বিষ্ণু। যদিও কর্নার থেকে উড়ে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্রায় গোলে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন মহমেডানের রোচারজেলা। তবে শেষ টাচ বিষ্ণুর। ৭৯ মিনিটে আনোয়ার আলি নিজের দ্বিতীয় ও দলের ষষ্ঠ গোল করেন। ইনজুরি সময়ের ৫ মিনিটে মহমেডানের কফিনে শেষ পেরেক পোঁতেন নন্দকুমার। মহমেডানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ৬ নম্বর থেকে ৪ নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল।
❤ Support Us








