- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
ছোটদের ডার্বিতে বাজিমাত ইস্টবেঙ্গলের, ৫ গোলের লজ্জার হাত থেকে বাঁচল মোহনবাগান
বড়দের ডার্বিতে বেশ কয়েকবছর ধরেই মোহনবাগানের দাপট। দীর্ঘদিন পর চলতি মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ডুরান্ড কাপের লিগ পর্বে জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালে অবশ্য বদলা নিয়েছিল মোহনবাগান। ছোটদের ম্যাচে মরশুমের প্রথম ডার্বিতেও বাজিমাত ইস্টবেঙ্গলের। অনূর্ধ্ব ১৭ যুব লিগে মোহনবাগানকে উড়িয়ে দিল ৪–০ ব্যবধানে। গোলের সহজ সুযোগ না করলে ৬ গোলেও জিততে পারত লালহলুদ।
যুব লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে শনিবার মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল ৩–২ ব্যবধানে হারিয়েছিল মহমেডানকে। অন্যদিকে, মোহনবাগান ১–০ ব্যবধানে জিতেছিল ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে। এদিন মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচের শুরুতেই ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকার দেবজিত রায়কে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় মোহনবাগানের মিডফিল্ডার সাহিল কর। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার গুনরাজ সিং। প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। দেবজিত, আলফ্রেড, গুনরাজরা কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধের ফল থাকে ১–০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ৫ মিনিটের ঝড়েই খড়কুটোর মতো উড়ে যায় মোহনবাগান। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে বাঁদিক থেকে বল পায় দেবজিত। মোহনবাগান বক্সে ঢুকে জোরালো শট নিয়েছিল। মোহনবাগান গোলকিপার নন্দন রায় বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে আংশিক প্রতিহত করে। ফিরতি বল যায় পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা দীপু সর্দারের কাছে। জোরালে শটে ২–০ করে দীপু। এক মিনিট পরই দেবজিতের পাস থেকে ডান পায়ের শটে ৩–০ করে আলফ্রেড। ৫০ মিনিটে মাঝমাঠে বল ধরে একক প্রয়াসে বক্সে ঢুকে দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করে দেবজিত।
মরশুমের প্রথম ডার্বিতে জিতে দারুণ খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ বরুণ সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘মাত্র চারদিন প্র্যাকটিস করার সুযোগ পেয়েছিলাম। সবকিছু পরিকল্পনা হয়েছে। আমার ছেলেরা দুর্দান্ত এফোর্ট দিয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট এনে দিয়েছে। ওদের খেলায় আমি দারুণ খুশি।’ হেরে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ নিয়ে এসেছেন মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গল বেশি বয়সের ফুটবলার খেলিয়েছে। তাছাড়া ওদের দলের ফুটবলাররা শারিরীকভাবে আমাদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। ৪ গোল একটু বেশিই হয়ে গেছে। রেফারি পেনাল্টিটা নাও দিতে পারত। তাছাড়া তৃতীয় গোলটা অফসাইড ছিল।’
❤ Support Us







