- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ৩, ২০২৬
ভোটের মুখে ফের বাড়ছে ইডির তৎপরতা! তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের তলব, প্রতিহিংসার পাল্টা অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের
বিধানসভা ভোট ২০২৬-এর আগে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সক্রিয়তা নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তলব করল তৃণমূল কংগ্রেসের আরও দুই প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে। এর আগে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশীষ কুমারকে জমি দুর্নীতি মামলায় তলব করেছিল ইডি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ডাকা হয়েছে সুজিত বসু ও রথীন ঘোষকে।
সূত্রের খবর, আগামী ৬ এপ্রিল বিধাননগরের প্রার্থী সুজিত বসুকে এবং ৮ এপ্রিল মধ্যমগ্রামের প্রার্থী রথীন ঘোষকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে দু’জনেই জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত। ফলে তাঁরা নির্ধারিত দিনে হাজিরা দেবেন, নাকি সময় চাইবেন—সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই আচমকা দেবাশিস কুমারকে তলব করে ইডি। তিনি সোমবার প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজিরা দেন এবং পরে আবার শুক্রবারও তাঁকে ডাকা হয়। ব্যস্ত প্রচারের মাঝেও তিনি ইডির ডাকে সাড়া দিয়েছেন। এরপরই শুক্রবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও দুই হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। যদিও এই তলব নিয়ে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটের আগে একদিকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়ে বেআইনি টাকা উদ্ধারে তৎপরতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় ব্যবসায়ীদের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধারও হয়েছে। তবে একইসঙ্গে কেন বারবার শাসকদলের প্রার্থীদেরই তলব করা হচ্ছে—তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে তৃণমূল শিবির। তাদের দাবি, ভোটের মুখে এ ধরনের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রতিহিংসামূলক। ফলে আসন্ন আগে এই ইডি তৎপরতা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
❤ Support Us







