Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১৩, ২০২৩

বিবিসি ইন্ডিয়ার কাছে আর্থিক লেনদেনের হিসেব চাইল কেন্দ্র। ফরেন এক্সচে়ঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে মামলা দায়ের ইডি-র

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিবিসি ইন্ডিয়ার কাছে আর্থিক লেনদেনের হিসেব চাইল কেন্দ্র। ফরেন এক্সচে়ঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে মামলা দায়ের ইডি-র

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসি ইন্ডিয়া সম্পর্কে অনমনীয় মনোভাব কেন্দ্রীয় সরকারের। নতুন করে বিবিসি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ইডি। ইডি সূত্রের খবর, বিবিসি ইন্ডিয়াকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংস্থার আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য জানানোর জন্যে। প্রসঙ্গত, বিবিসি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে ইডি যে মামলা দায়ের করেছে, তাতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বিবিসি বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত নীতি লঙ্ঘন করেছে কিনা। তবে বিষয়টি তদন্তের স্তরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে জানানো হয়েছে, বিবিসি ইন্ডিয়ার বিদেশি রেমিট্যান্স খতিয়ে দেখা হবে। একারণেই আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে হিসেবে চাওয়া হয়েছে বিবিসি-র কাছে।

বিষয়টি নিয়ে বিবিসি এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এখন দেখার, এব্যাপারে বিবিসি কী প্রতিক্রিয়া জানায়। সূত্রের খবর, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিবিসি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে নতুন একটি মামলা দায়ের করেছে ফরেন এক্সচে়ঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে।

সম্প্রতি আয়কর দফতর বিবিসি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে আয়কর সংক্রান্ত বেনিয়মের অভিযোগে। এজন্য বিবিসি ইন্ডিয়ার দিল্লি ও মুম্বই অফিসে হানা দেন আয়কর দফতরের অফিসাররা। এরপর ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যাক্ট লঙ্ঘন করার দায়ে নতুন করে কাঠগড়ায় তোলা হল বিবিসি ইন্ডিয়াকে।

এদিকে বিবিসি ইন্ডিয়ার দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে যে আয়কর হানার ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে বিতর্ক চলেইছে। সেইসময়ে সারারাত বিবিসি ইন্ডিয়ার কর্মীদের অফিসে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন জমানায় কেন্দ্রীয় সরকার তদন্তকারী সংস্থাগুলিতে বিরোধীদের বেকায়দায় ফেলতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বিবিসি এরই শিকার বলে অভিযোগ।

বিবিসি ইন্ডিয়া কিছুদিন আগে একটি তথ্যচিত্র সম্প্রচার করেছে। ওই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে, ২০০২ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের দাঙ্গা রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি। প্রসঙ্গত, ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চেন’ নামে ওই তথ্যচিত্রটি দুটি পর্বের। গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে বিবিসি ইন্ডিয়া মোদিকে কাঠগড়ায় তোলার পরেই বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে আয়কর দফতরের অফিসাররা হানা দেন।

বিরোধীদের অভিযোগ, এই হানা কার্যত সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সামিল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় সেইসময়ে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাঙ্গা থামাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি বলে যে অভিযোগ ওঠে, তা ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও বিবিসির তথ্যচিত্রের প্রতিপাদ্য বিষয়ের নিন্দা করেছেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!