- দে । শ
- জুন ৫, ২০২৬
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু
প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী ও সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক রবিলাল টুডু (৭৭)। কালনা ২নং ব্লকের বাদলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নোয়ারা গ্রামের এই সাহিত্যিক বারাসাতের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুর সময় রেখে গেলেন, স্ত্রী, ১ পুত্র ও ২ কন্যাকে। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়াতেই শোকের ছায়া নেমে আসে। রবিলালের পুত্র অনল টুডুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কিছুদিন আগে পড়ে যান রবিলাল। কল্যাণী এইমসে অস্ত্রোপচারের পর সুস্থও হয়ে যান। তারপর বারাসাতে ছেলের কাছে যান। কয়েকদিন ধরে পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। চিকিৎসকরা পেটে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। তার আগেই প্রয়াত হলেন রবিলাল। বৃহস্পতিবার রাতে কালনা শ্মশানে শেষকৃত্য হয় সাহিত্যিকের।
শৈশব থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চায় ঝোঁক ছিল রবিলালের। ১৯৭৪ সালে ‘বীর বিরসা’ নামে একটি নাটক লিখে প্রচারের আলোয় আসেন রবিলাল। ২০১৪ সালে সারদাপ্রসাদ কিসকু অ্যাওয়ার্ড পান। আর সাঁওতালি সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫য় সাহিত্য অ্যাকাডেমি পান রবিলাল। রাজ্য সরকার তাঁকে ২০২২ সালে বঙ্গভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন। আর এ বছর পেলেন ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান। কেন্দ্র সরকারের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে চাকরি করেছেন। সেই সমস্ত সঞ্চয় আর বঙ্গভূষণের সাম্মানিকের অর্থ খরচ করে বাড়ির পাশেই সাঁওতাল সমাজের তিন পথিকৃৎ সিধো, কানু ও পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুর মূর্তি বসান কাজ রবিলাল। খরচ হয় প্রায় ৫ লাখ টাকা। আর মূর্তি রাখার জন্য যে পরিকাঠামো তৈরি করতে হয়েছে, তার খরচ ১০ লাখ।’ এলাকার বাসিন্দা আমানত আলি, নিমাই রায়রা বলছিলেন, ‘রবিলাল টুডু শুধু আমাদের গর্বই ছিলেন না, ছিলেন রাজ্যের গর্ব, দেশের গর্ব।’
❤ Support Us





