- এই মুহূর্তে স | হ | জ | পা | ঠ
- জুলাই ৯, ২০২৪
সুরাটের পথে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, তিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার পরিশ্রমের ফসলে ‘দূষণহীন’ যাত্রাপথের ভবিষ্যৎ
সুরাটের তিন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র মিলে একটি ‘ফিউচারিস্টিক ইলেকট্রিক ক্যাপসুল অটোমোবাইল ‘ তৈরি করেছেন , যেখানে টায়ার ও স্টিয়ারিং-এর পরিবর্তে গেমিং জয়স্টিক ও মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে কাজ করা যায়। তিন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের আবিষ্কারে রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে সুরাটে ।
ওই তিন ছাত্র হল শিবম মৌর্য, সঙ্গম মিশ্র ও দলজিৎ । গাড়িটি তৈরি করতে ও তাকে প্রকাশ্যে আনতে সময় লেগেছে মাত্র সাড়ে তিন মাস। একবার চার্জ দিলে গাড়িটি ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড়তে পারবে। প্রতি এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগ তুলতে সক্ষম এই গাড়ির বাজার মূল্য ৬৫০০০ টাকা।
এই ক্যাপসুল গাড়িটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক অটোমোবাইল। পরিবেশের কথা মাথায় রেখেই এই গাড়িটি তৈরি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
গাড়িটিতে কোনও স্টিয়ারিং নেই। স্টিয়ারিং না থাকলে গাড়িটি চলবে কি করে? স্বভাবতই এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে। ছাত্রেরা জানিয়েছে , এই গাড়িতে স্টিয়ারিঙের ভূমিকা পালন করবে একটি জয়স্টিক । মুঠোফোনের নিয়ন্ত্রণেই চলবে এই গাড়ি। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের চিন্তাভাবনাও রয়েছে তাঁদের। এই ক্যাপসুল যানে কোনও চাকাও নেই। ছ ফুট বাই চার ফুট যানে একবার একজন মানুষের বসার মতো ব্যবস্থা রয়েছে।
শিবম সঙ্গম দলজিতেরা জানিয়েছেন , ‘আমরা ভবিষ্যতের জন্য এমন একটি প্রোজেক্ট করতে চেয়েছিলাম যা আগেকেউ করেনি। এমনকি যা কখনও রাস্তাতেও পরীক্ষা করা হয়নি।’ তাঁদের মতে ,’ দূষণের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে লোকেরা বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে উঠছে, এইভাবে আমরা এই গাড়িটিকে বৈদ্যুতিক হিসাবে ডিজাইন করেছি।’
ওই ছাত্রেরা জানিয়েছেন,যেহেতু গাড়িতে কোনও স্টিয়ারিং নেই, আচমকা দেখলে মনে হবে কেউ বসে বসে কাজ করছে। এই গাড়িটি দুটি উপায়ে কাজ করে: ম্যানুয়ালি এবং একটি জয়স্টিক ও ফোন । এটি একটি জয়স্টিক এবং একটি মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে চলে। আমরা পুরো নকশাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করতে যাচ্ছি। এর ফলে গাড়ির সামনে এবং পিছনে সেন্সর লাগানো হবে। সামনে অন্য গাড়ি থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। বাস্তবে এটি কীভাবে কাজ করে তা পর্যবেক্ষণ করতে আমরা রাস্তায় এই গাড়িটির একটি প্রোটোটাইপ পরীক্ষা করেছি৷ ‘
তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হল এই গাড়ি শুধু মাটিতে নয়, যেন আকাশেও উড়তে পারে, এমন ব্যবস্থা করা। তবে মুহূর্তে
তাঁদের হাতে যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ নেই। তাছাড়া , বড় সংস্থাগুলিও এই উদ্যোগে তাদের উন্নত চিন্তাধারাকে কাজে লাগাচ্ছে ।
❤ Support Us






